কে কবে কোথায় কার

কে কবে কোথায় কার নাড়ী টিপে বলেছিলো- বাছা,
ঐখানে ঐ নদী তীরে কাশের শরীরে যেই শুভ্রতা আছে;
পাখির কণ্ঠে যেই ব্যকুলতা আছে;
কোমলতা দেখেছো যে ফুলের শরীরে;
সবার তো ফুরিয়েছে আয়ু।
আজ শুধু পোড়া ইট লোহার মরিচা পড়া দেহে
ঝুলে আছে সভ্যতার মায়াবী ছোবলে …

কে কবে কোথায় কার পাজরের হাড়ে হাত রেখে
কাঁপা ঠোটে বলেছিলো– সব কিছু ধুলো হয়ে গেলো,
তাসের ঘরের মতো ভেঙেচুরে মিশে গেলো সব
খেঁজুরের রস নেই, কষ নেই বটের শরীরে…
ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে বারুদের খোসা, মারণাস্ত্রের মডেল।
পৃথিবীর পালে ছেঁড়াফাটা জোড়া হয়ে
ঝুলে আছে একেকটা দেশ…
কাঁটাতারে শেলাইয়ের ঝুঁকি।

কে কবে কোথায় কোন নদীর শরীরে রেখে হাত
বলেছিলো- সমুদ্রের নাড়ী,
কিভাবে থাকবে ভালো ; মানুষে মানুষে আজ বেধে গেছে আড়ি।

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান