• ঋ তে ঋষভ- ষাঁড়টা বাঁকিয়ে রাখে ঘাড়টা সারাটা দিন চায় খেতে লড়াই নিয়ে রয় মেতে।।


  • (দীর্ঘ) ঊ টা ঊষাতে রাঙলো দিনের ভূষাতে, ঊষার হাসি ভোর বেলা দেখছি দিনের রঙ খেলা।।


  • (হ্রস্ব) উ টা উড়ছে, রঙিন কাগজ ছুঁড়ছে, উই পোকাটা বলে: এবার উড়োজাহাজ ঘুরছে।।


  • স্বাধীনতা থাকবে না

    পাখিদের নাকি ডানাগুলি থাকবে না চঞ্চু থাকবে কণ্ঠ থাকবে পেখম থাকবে পালক থাকবে শুধু নাকি তারা সুরে সুরে ডাকবে না; পাখিরা থাকবে শুধু পাখিদের ডানাগুলি থাকবে না। আগের মতই পূবের আকাশে সূর্যটা দেবে উঁকি সন্ধ্যায় ঠিক পশ্চিমে যাবে ঝুঁকি; আগের মতই বাতাসেরা বয়ে যাবে শুধু নাকি যত মুগ্ধ সূর্যমুখী সূর্যকে ছেড়ে রাত কাছে পেতে চাবে।…


  • কৃষ্ণগহ্বর

    রহস্যময় তারকা তুমি চোখের আড়ালে থেকে অনুভবে দাও ধরা নিজের আলোকে নিজের বুকেই টেনে আড়াল করো নিজেকে অথচ তোমাকে না দেখেই কি এক দূর্বার আকর্ষণে সবাই ছুটে চলে তোমার দিকেই- হে মহাকাশের রহস্য- আমি বুঝতে পারিনা কিছুতেই নিজের আলোকে নিজেই শোষণ করে কেনো এতো আনন্দ তোমার অসংখ্য চোখের অন্ধত্বকে উপভোগ করে কেনো এতো তৃপ্তি তোমার……


  • বাছুর


  • জড়জীবন


  • মোরগ


  • তখন সবাই চিনবে ঠিকই সত্যটাকে

    এই আসরের সকল খেলাই শেষের পথে সমস্ত রাত পার করে যায় চাঁদটা যেমন ঠিক তেমনি পার করেছে সকল রাউন্ড; এখন যারা শেষের খেলায় নাম লেখেছে তাদের পালা, এবার তারাও ক্ষান্ত দেবে… যাদের ঘরে জয় লেখেনি নাম কখনো সার্টিফিকেট পায়নি যারা এই জীবনে তাদের সাথে পাল্লা দিয়ে এবার ওরাও দিচ্ছে সাড়া অদৃশ্য এক সত্য ডাকে এবার…


  • অবসরের গান

    শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের ক্ষেতে; শাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার-চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ, তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান, দেহের স্বাদের কথা কয়- বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট করে দেবে তার সাধের সময়! চারি দিকে এখন সকাল- রোদের নরম রঙ শিশুর গালের মতো লাল! মাঠের…


  • হে ইউসুফ

    কি করে নারীর টকটকে আমপাকা যৌবনকে অস্বীকার করে অদৃশ্যের ‘পাওয়ার হাউজের’ দিকে একজন বুভুক্ষু পুরুষ ছুটে যাওয়া যায় পুরুষত্বহীন এক অপূর্ণাঙ্গ মানুষের মতো? রমণীর সর্বশ্রেষ্ঠ যৌবনের উনুনে দাড়িয়ে কয়লার মতো যৌবনের জ্বালে জ্বলতে জ্বলতে কি করে বলতে হয়: ‘আমি ভয় করি অদৃশ্যের সম্রাটকে’? কি করে কাপুরুষের মতো রমণীর সমস্ত ঐশ্বর্য হাতের মুঠোতে পুরে রক্তমাংস কোথায়…


  • চোখ


  • ফুলেল / সাইফ আলি


  • ফুলেল / সাইফ আলি


  • আমি এক কবি হয়ে / সাইফ আলি

    এক ঝাঁক শকুনেরা মানবতা গেয়ে যায় ভাগাড়ে ভাগাড়ে, যেখানে মরা গরুর মতো করে পড়ে আছে অসংখ্য লাশ; আমি এক কবি হয়ে খুঁজে ফিরি চাঁদ-তারা-সুনীল আকাশ, এক ঝাঁক সুখ পাখি আর বুনো ফুল খুঁজি পাহাড়ে পাহাড়ে। এক ঝাঁক দানবেরা বোমা মেরে উড়ে যায় পৃথিবীর বুকে, আর্তের চিৎকারে মৃত্যুর দূত যেন হিম-শিম খায়; লাশের পাহাড় দেখে ধীরে…


  • তুমি কি দু’হাত পেতে নেবে?

    ধুসর পান্ডুলিপি থেকে একমুঠো কবিতার ফুল তোমার জন্য এনে দেবো তুমি কি দু’হাত পেতে নেবে? অন্ধরাতের কোল থেকে এক মুঠো জোনাকির আলো তোমার জন্য এনে দেবো তুমি কি দু’হাত পেতে নেবে? ঝিনুকের বুক চিরে ফেলে সঞ্চিত মুক্তার দানা তোমার জন্য এনে দেবো তুমি কি দু’হাত পেতে নেবে? শরীরের সুগভীর থেকে স্বচ্ছ কাচের মতো মন তোমার…


  • এখানে আবার স্বপ্নের রেখা টানি / সাইফ আলি

    এখানে আবার স্বপ্নের রেখা টানি এইখান থেকে পথ চলা হোক শুরু পেছনে ফেরার ইচ্ছের কোরবানি হয়ে যাক আজ এই নির্জন মাঠে। এখানে আজকে ভীরুর কাব্য নয় নয় ঘুমানোর নিজ্ঝুম কালো রাত চির নিদ্রায় নিদ্রিত হোক ভয় জাগুক সাহস জীবন কাব্য পাঠে। এখানে আজকে তামাটে মাটির বুকে রেখে দিয়ে যাই সাহসী পায়ের ছাপ আমাদের চলা শুরু…


  • অনেক জাহাজ জাহাজ থাকেনা

    অনেক জাহাজ জাহাজ থাকেনা দুলে উঠলেই পানি অনেক অনেক ইতিহাস ইতিহাস থেকে মুছে যায় তবু লেখে রাখবার থাকে না কলমে কালি অনেক প্রাসাদ বাতাসে বাতাসে উড়ন্ত ধুলোবালি মাটির শহর, গাড়ির বহর, সখের নহর সব হয়তো কখনো কোনো একদিন হাজার বছর পরে নতুন মানুষ অণুবিক্ষনে ঠেকিয়ে দু’দুটো চোখ ইউরেকা বলে চিৎকার দিয়ে বলবে, ফেলেছি ধরে- প্রাচীন…


  • আমি আজ বন্দী কারাগারে

    এতোদিন      কোথায় ছিলে হাওয়া বন্ধ             তোমার আসা যাওয়া আমিতো      ভেবেই হয়রান কতোদিন      হয়নি শোনা গান। এতোদিন      কোথায় ছিলে নদী তুমিতো        বইতে নিরবধি তবে কে        থমকে দিলো চলা কতোদিন      হয়নি কথা বলা। এতোদিন  …


  • এক থোকা ফুল এনে

    এক থোকা ফুল এনে বলবো না সুখী হও আজকের দিনে বলবো না বেঁচে থাকো অনন্তকাল, বাগানের সব ফুল যতো ভালোবাসা পায় সবটুকু এনে বলবো এমন হোক প্রতিটি সকাল। যদি নীল সাগরের তীরে ঝিনুকের খোলসের ভীড়ে পাওয়া যায় একখানি মুক্তার দানা, ছোটো হোক তাই এনে দেবো হীন বলো তাই মেনে নেবো মেকি মুক্তার মালা তোমাকে দেবো…