“যেই আবর্তে গড়ে উঠি” এবং আমার কিছু কথা…

মানুষের জানার আগ্রহ অসীম। এমন কোনো বিষয় নেই যে সম্পর্কে সে তার আগ্রহ ব্যক্ত করে না। আবার উল্টো কথাও বলা যায় মানুষ কিছুই জানতে চায় না যদি না সেটা তার কোনো কাজে আসে। এই দুইভাবে বললেই কি সবার জন্য তা সত্য? না সবার জন্য তা সত্য না, এমন অনেক বিষয় জানার জন্য আমরা অসীম আগ্রহ নিয়ে বসে থাকি যা জানলে আমাদের দু’পয়শারও কাজে আসবে না। তাহলে কিভাবে কথাটা বলা যায়? কোনোভাবেই কি সম্ভব? না, সম্ভব না। কারন প্রত্যেক মানুষই তার নিজের মধ্যে স্বতন্ত্র। সে চিন্তা করে তার মতো করে। তার জন্য যেটা ভালো, অন্যের জন্যেও সেটা ভালো মনে করে। কিন্তু তা সম্ভব না। আর এ কারনেই মানুষ যে বিধান বা কর্মপদ্ধতিই তৈরি করুক না কেনো তা তার জন্য খাটলেও সবার জন্য খাটবে এমনটা ভাবার কোনো অর্থ হয় না। তার নিজের জন্যও অনেক ক্ষেত্রে তা সত্য হয় না। আর এই অপবাদ থেকে বাঁচতে একটা প্রবাদ আমরা তৈরি করে নিয়েছি। ‘মানুষ মাত্রই ভুল করে।’ এই যদি আমাদের উপসংহার হয় তবে কিসের জোরে আমরা ‘একটা পরিপূর্ণ জীবন ব্যবস্থা প্রণয়ন’ এর দাবি করবো!! বাস্তবতা তো এটাই যে, সকাল গড়ালে বিকালে আমরা বলি-‘ইস্ ওই কাজটা যদি আমি না করতাম তাহলে কতোই না ভালো হতো!, ওটা যদি ওভাবে না করে এভাবে করতাম তাহলে নিশ্চিত সফল হতাম!!’ অথচ এর পরবর্তি পদক্ষেপেই করি আরেকটা ভুল।

সুপ্রিয় পাঠক, আমাদের সময় এসেছে আমাদের জন্য সঠিক একটা ব্যবস্থা বেছে নেয়ার। যে ব্যবস্থা হবে সকল রকম ভুলের উর্ধ্বে। আর এই বাছাই করার ক্ষেত্রে কিছু কথা মাথায় রাখা দরকার। তুলনা করতে হলে কিছু জানা আবশ্যক। বর্তমান প্রচলিত জীবন ব্যবস্থা এবং এর খুটিনাটি নানা বিষয় সম্পর্কে জানা না থাকলে আমরা কিভাবে চিন্তা করবো? তাই পুরোপুরি না হলেও সামান্য কিছু বিষয় জানতে পড়ে দেখুন ‘হোসেন এম জাকির’ এর ‘যেই আবর্তে গড়ে উঠি’। আশা করি হতাশ হবেন না। বইটি একুশে বইমেলা. ২০১৬ তে প্রকাশিত হবে ইনশা-আল্লাহ। এ বই থেকে কেউ যদি উপকৃত হয় তবে তা যেনো লেখকের জন্য স্রষ্টার রহমত বয়ে আনে।

-সাইফ আলি

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান