তুমি যখন ঘুড়ি ওড়াও / সাইফ আলি

ঐ দূর মেঘেদের দেশে তুমি যখন ঘুড়ি ওড়াও
তোমার হাতের নাটায়ে টান পড়ে,
তুমি কি ভাবো- ঘুড়িগুলো খুব বেশি স্বাধীনতা প্রিয়, বিচ্ছেদ প্রিয় হয়?
তুমি কি ভাবো তারা বন্ধন কাকে বলে বুঝতে শেখেনি?
অথচ তুমিই, বাতাসে ভাসিয়ে দিলে তাকে
উড়ে যেতে বললে সর্বচ্চ উচ্চতায়; আর
চেয়ে চেয়ে নিচ থেকে তামাশা দেখলে- কিভাবে লাট খায়,
উলোট পালোট উড়ে বেড়ায়; ঠুকাঠুকি করে।
ইচ্ছে মতো মাটিতে দাড়িয়েই বলে দিলে কোন দিকে যেতে হবে;
আবার অন্য কোনো ঘুড়ির সাথে বাধিয়ে দিলে তুমুল ঝগড়া!!

তোমার কথা মতোই যুদ্ধ যুদ্ধ খেলতে যেয়ে লাশ হয়ে ফিরে এলো
আর তুমি বললে- ঘুড়িটার সবখানে সমস্যা,
ডানে বললে বায়ে যায়, বায়ে বললে ডানে।
ডাল খাই, উল্টাসিধা দৌড়ায়; নিয়ম বোঝেনা!
অথচ বুকের কাঠিতে যুত বেধে তুমিই বলেছিলে- সবকিছু ঠিকঠাক আছে,
মাজনে হাত রেখে বলেছিলে- দারুন!

চিলেরা, পাখিরা, যারা স্বেচ্ছায় ডানা মেলেছিলো,
ঠিক ঠিক পথ চিনে নীড়ে ফিরে এলো, কোনো এক অদৃশ্য নাটায়ের টানে
সে নাটাই যার হাতে
আজ আমি বেরিয়েছি তার সন্ধানে!

*ঢাকা, শুক্রবার 29 July 2016 ১৪ শ্রাবণ ১৪২৩, ২৩ শাওয়াল ১৪৩৭ হিজরী  তারিখে দৈনিক সংগ্রাম পত্রিকার সাহিত্য পাতায় প্রকাশিত… তুমি যখন ঘুড়ি ওড়াও

এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান