তুমি কি চাঁদের সাথে একা একা হেটেছো কখনো
কোলাহল ছেড়ে
ধানক্ষেত ডানে বায়ে রেখে
গ্রামে
যেখানে সন্ধ্যা হলে ঝোপে ঝাড়ে
ঝিঁঝিঁপোকা ডাকে
জোনাকিরা দলবেধে নামে।
তুমি কি রাতের সাথে একা একা কথা কও
অন্ধকারে হাসো এটা ওটা ভেবে,
তারা গোণো,
গান বাধো কোনো,
গুনগুন করো জোছনায় ভিজে?
অথবা যখন ভোর;
ধানের পাতোয় জমা শিশির বিন্দু নিয়ে
দুই হাতে দেখেছো কেমন…
সারি সারি খেজুরের গাছ,
কেড়ে ভরা শীতল সরাব
ঢকাঢক করেছো সাবাড়?
কুয়াশায় ভিজে যাওয়া চুলে
চলেছো কি পথঘাট ভুলে
কখনো কোথাও…
শিম-ফুলে ছেয়েছে মাচাং-
ঝিঙে ফুলে ভরে গেছে মাঠ-
কুমড়োর ফুল ভেজে বসে আছে মা-
বসেছো কি তার পাশে গিয়ে?
কখনো কি একা একা চাঁদজ্বলা রাতে
গিয়েছো বেড়াতে
গ্রামে,
যেখানে খড়ের চালে
মানুষেরা ঘুমায় আরামে।
অথচ তুমিতো শুধু টাকা টাকা করো-
এ লাইন সে লাইন ধরো-
অফিস পাড়ায় কাটাও জীবন-
যৌবন ফেলে আসো শহরের ডাস্টাবিনে-
তারপর,
কাড়ি কাড়ি টাকা দিয়ে
একখানি ছাদ কিনে
গড়ো সংসার,
হদয় বুড়িয়ে আসে
চামড়ায় ভাজ পড়ে যায়;
আহা! তুমি ছুটে চলো,
তুমি শুধু ছুটে চলো
মরূভূর পথ থেকে পথে
মরিচিকা সুখ শুধু ডাকে সীমানায়…
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান