পুবের আকাশে আমি তাকাই না আর। ও-আকাশে
একবার ভয়ঙ্কর মেঘ হয়েছিল।
ক্ষুব্ধ সেই মেঘে কৌতূহলী চোখ রাখতেই অশুভে ও সর্বনাশে
পুড়ে গিয়েছিল চোখ। গিয়েছিল আরো পুড়ে, মাটির চুলায়
বেগুন পোড়ার মতো, বেগুন এ দিলও।
পুবের আকাশে আমি চোখ তুলে চাই, আজ আর সাহসে না কুলায়।
আজ আমার সমস্ত সত্তা, সমস্ত চেতনা আর সমস্ত আবেগ
পুবের আকাশে শুধু দ্যাখে- সর্বনেশে, অশুভ সে যন্ত্রণার মেঘ।
পুবের আকাশ যে-সত্তার ’পরে ঝুলে আছে, তার নিচে
আছে এক ঘর। সেই ঘরে কড়ির পিরিচে
খেয়েছি কত যে আমি নরম এক হাতের কাটা আপেলের পিচ।
আজ শুধু স্মৃতি আছে- কোথায় গিয়েছে সেই তুলতুলে হাত আর কড়ির পিরিচ!
ও-আকাশে আজ চোখ তুলে যেই চাই, মনে পড়ে সেই হাতটার কথা, পিরিচের কথা আর সেই ঘর-
আর শুধু যন্ত্রণায় হাহাকার করে ওঠে পোড়া এ অন্তর।
রাবি
২.১.১৯৯৭
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান