কেবলি শরীর নিয়ে বেঁচে আছো তুমি।
রমণী দেখলেই এঁড়ে গরুর মতো তেড়ে যাও হুট করে
অথচ তোমাকে গরু বললেই ক্ষেপে যাও কি-ভীষণ। দুনিয়ার
উচ্ছিষ্ট নিয়ে নেড়ে কুত্তার মতো মেতে আছো প্রতিদিন তুমুল কলহে
অথচ তোমাকে কুত্তা বললেই তোমার চেহারা পাল্টে যায়।
কারো ভালো দেখলেই কেউটের মতো ছোবল দিয়ে বসো আক্রোশে
অথচ নিজেকে কেমন সাপের চেয়ে উৎকৃষ্টতর মনে করো।
কি-আশ্চর্য, একদিনের জন্যেও তুমি মানুষ হতে পারলে না
অথচ তোমাকে মানুষ না বললে তোমার মস্তিষ্ক বিগড়ে যায়।
তুমি তো জানো না, গাড়ল, ফুলেরা জন্মেই ফুল, বৃক্ষেরা জন্মেই বৃক্ষ
কিন্তু মানুষকে মানুষ হতে হয় তিলে তিলে, যেভাবে মৃত্তিকা
কুমারের সাধনায় মৃৎশিল্প হয়ে ওঠে, ভাস্করের সাধনায়
পাথর ভাস্কর্য আর কাঠ মিস্তিরির সাধনায় ফার্নিচার।
১২.৯.২০১০ নাটোর
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান