আমাদের জীবনের কোলাহলে
হঠাৎ মৃত্যু এসে আসর জমায়
তরতরে বেড়ে ওঠা কচি লাউডাটে
ফ্যাকাসে করুণ কিছু মৃত্যুর ছায়া
আমরা কাঁদি না তাতে
কান্নায় ভিজবে না মাটি
বিপ্লবী মেঘ চাই,
চাই কিছু বর্ষার ঢল।
সরিসার খেতজুড়ে দাউ দাউ আগুনের শিখা
খড়ের চালায় বসে তড়পায় নীলাক্ষি কাক
বুড়ো বটে বসে কিছু ক্ষুধার্ত কালের শকুন
ভাগাড়ে ভাগাড়ে করে মৃতের তালাশ।
আমাদের জীবিকার রুটি
গলা দিয়ে নামে না এখন-
না জানি কিসের বীষে
নীল হয় পলির শরীর।
সীমান্তে লাশ দিই বেচে
চড়া সুদে কিনে আনি বনখেকো দানবের ছাও
দুধ দিই, কলা দিই; পুষে রাখি আচলের ভাঁজে
বিদেশী দানব, তাকে পূজবো না কেনো!
বাংলায় এমনটা কোনোদিন সাজে!?
আমাদের ফলের শরীর
সবজির খেত
বিদেশী বিষের কাছে
ধর্ষিত হয়, প্রতিদিন;
দাম দিয়ে বীষ খায়, তবু তাকে অনুদান বলি
ভদ্রতা আমাদের জাতভাই,
অভদ্র দাবি তাই তুলিনি কখনো!
কোনো এক দুরন্ত ঝড়ে
লজ্জার শাড়ি-ছায়া উড়াবে যেদিন,
সেদিন হয়তো ফের দাঁত খিচে জবাবটা দেবো-
আপাতত মেঘ চাই,
চাই কিছু বর্ষার ঢল।
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান