তোমাকে বাজাতে চাই আমি আমার আপন সত্তার তৃষ্ণায়
তোমার ভেতর পাই আমি এখনো শুনতে কালের ঝংকার ।
ইট পাথরের ভিত, প্রশস্ত গৃহের সজ্জা আজো মেখে আছো
তুমি। পোড়া মাটির বাসনে তুমি বেড়ে দাও ভাপ ওঠা ভাত
আমার ক্ষুধায়। আমারই তৃষ্ণায় পদ্মার জলে ভেজে হাত
ভেজে তোমার আঁচল, ভেজে ঢেউয়ের আদরে গৌড়। ফলবতী
হও তুমি আদরে আমার। আর স্বপ্ন জ্বলে ওঠে চোখে- চুমু
খাবো আমি সন্তানের কপালে, তাড়িয়ে এসে আলেকজান্ডার।
পাঠ নিতে চাই আমি শিশুর মতন- তোমাকেই করে পাঠ…
ভেতর কপাট খুলে অন্তহীন সড়কে আঁকিয়ে দেবো আমি
আজ বিশ্বাসের মাইলস্টোন- হাজার নদীর বাঁক, তীর ছুঁয়ে
ছুঁয়ে নোঙর ফেলব পিতৃপুরুষের আশ্রয়ে- পদ্মার কূলে।
আমার আত্মার এই তৃষ্ণায় দোয়েল কণ্ঠ হয়ে তুমি বাজো
অন্ধকার সময়ের গ্রাসে আমি তৃপ্ত হতে পারি যেন আজো।
১২.০৫.২০০০
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান