আমার
পদ্মাজীবন ভরেছিলো তোমার বর্ষা জগতে
প্রাণের দু কূল ছাপিয়ে এলো খরায় মরা স্রোতের পথে।
জীবনের সব অর্থ খুঁজে পেলো আমার চোখ
হৃদয়পুরে দিনে দিনে সৃষ্টি হলো ভালোবাসা আরণ্যক।
আমি তোমার নামটি দিলাম: হৃদয়বতী
খা খা করা আধাঁর ভরা মন পৃথিবী জ্বালিয়ে দিলো
তোমার মুখের জ্যোৎস্নাজ্যোতি।
আমি বিপুল অভিভূত-
আমার ঠোঁটে লাগলো তোমার চুমুর চিহ্ন
রক্তে আমার কেউ করে না বাস- তুমি ভিন্ন।
কেন তবু করলে তুমি কল্জে ছেঁড়া উচ্চারণ:
মিথ্যেবাদী
প্রতারোক!
তক্ষুণি এই আমার পাঁজর পড়লো ভেঙে মেঘ মেঘালি বজ্রপাতে
এখনো এই চোখের জীবন যাপন করে শ্রাবণরাতে।
মন বলে সেই নারী তুমি-
ভালোবাসা না বুঝে যে চষে বেড়ায় স্বপ্নভূমি।
কী করে ভুল বুঝলে নারী কবির নিখাঁদ অনুরাগ?
কেউ কখনো কবিকে কী অবিশ্বাসে করতে পারে দু ভাগ?
কেমন চোখে দেখলে কবির গভীর আবেগ প্রতিশ্রুতি?
যে কারণে দু দিন বাদেই পালটে গেলো তোমার গতি।
মন বলে সেই মানবী সে-
অন্তরে যে ছলায় কলায় জ্বালায় কুহক।
হৃদয়পুরে হৃদয়বতী দেখে যাও হে,
কষ্টস্মৃতির নষ্টনদী আমার এখন মাইল মাইল বুকফসলের মাঠ ভাঙে-
আছড়ে পড়ে শুধুই এখন যন্ত্রণার নীল ঢেউয়ের শোক।
১০.০৬.০২
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান