মৃত্যুর মতন তার সারা দেহ শীতল
এবং
কুৎসিত কর্কশ তার নগ্ন হাত
মুখে তার মরিচিকা-রঙ
কোনো এক মায়াবিনী নারীর মুখের,
বুকে তার
মরুতৃষ্ণা।
আর সেই তৃষ্ণার আগুন বারবার
হেমন্তের হেমলতা বসন্তের নিবিড় বিথার
গ্রাস করে। টলোমলো শিশিরের স্নান
পাখিদের কলকণ্ঠ জীবনের যৌবনের গান
সে আগুনে আর সেই মরীচিকা রঙের সে-মুখে
নির্বোধ কৌতুকে
খেলা করে।
কবে কোন প্রতিজ্ঞার ছলে
কে দিয়েছে কি আশ্বাস তারি মৃদু শিকার সম্বলে
এখনো হৃদয়ে জ্বলে তিতিক্ষার ইস্পাত-কঠিন
এই দিন।
আর সেই দিনের মহিমা
মহত্তর বাণী তার, রাত্রিদিন পীড়নের সীমা
পথে ও প্রান্তরে আজো ব্যাপ্ত করে।
অপার কৌতুক
বিদ্রুপে বিক্ষত করে ভোরের উজ্জ্বলতনু বুক-
প্রত্যহ প্রতিক্ষাময় ঘরে ঘরে।
হৃদয়ের তীর।
দক্ষিণ হাওয়ার স্রোত মুহ্যমান।
পুরনো নদীর
এই বাঁকে তবু কার নতুন সাম্পান
আসে যায়।
বৎসরের প্রান্তে কিছু কথা আর গান
রেখে যায়। কে যায় কে আসে-
দুয়ারে প্রশ্নের ঢেউ ভেঙে পড়ে আবেগে উচ্ছ্বাসে।
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান