কেশবপুরবাসী
শরীর শীতল করে, ভিতর শীতল করে এই ঘোলাপানি,
এ পানিতে স্নান করে ভোরের দোয়েল আর আমার হৃদয়;
পূর্ণিমার পূর্ণ চাঁদ এখনও আগের মতো করে কানাকানি
তখন এ নদ দেখে কত মধু মধুদেশে মহাকবি হয়!
অন্য কোনোখানে গিয়ে বাঁচবো কি একদিনও এ জমিন থুয়ে?
বিদেশবিভুঁই গিয়ে কী করে মানুষ বাঁচে, আমি ভেবে মরি;
আমার কেশবপুর জননীর মতো থাকে অস্থিমজ্জা ছুঁয়ে,
আমার এ কপোতাক্ষ আমাকে প্রশান্তি দেয়া মর্ত্যের অপ্সরী।
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান