ক.
এক পৃথিবী হেঁটে হেঁটে
একটি জীবন ভিজে ভিজে
তোমার কাছে পৌঁছে গেলাম কদম হাতে।
দেখে ছিলাম সেই যে তোমার
গভীর চোখে দরদমাখা
গভীর শ্রাবণ- শেষ দেখাতে, শেষ দেখাতে।
মনে পড়ে তোমার মনে?
সে কী তোমার কষ্ট শ্রাবণ
নীল বেদনার দুঃখ শ্রাবণ
সত্যি কী তা অন্য ঘরে যাবার নিরব রক্ত ক্ষরণ?
না আমাকে করুণা জল
দেখিয়ে তুমি জ্বেলে দিলে
মনের মধ্যে ক্ষোভের অনল?
না আমি সেই নদী চোখে দেখেছিলাম আমার মরণ?
প্রাণদ শ্রাবণ?
খ.
কৃষ্ণচূড়া মেঘের মতন তোমার সম্পন্ন ঠোঁটে
কবির আকাক্সক্ষা কদমের সবুজ পাতায়
শ্রাবণের প্রার্থিত প্রথম বিন্দু! নীল শিহরণ!
কবির মগ্নতা রাজহাঁস অতঃপর দ্রুত সাঁতরায়
তোমার ভেতর……
কবির আবেগ অকথিত। তুমি কী বুঝবে
কবির মৌনতা? কবিদের উৎসমূল জেনো
হৃদয়, মগজ। জেনো কবিরা সহজ। কবিদের
জীবাশ্মে পৃথিবী বেঁচে আছে এখনো- মৃত্তিকা
প্রাণোজ সবুজ আঁকে তার রক্তবিষ শুষে নিয়ে।
কবির শ্রাবণে তুমি বাংলার পুষ্পিত মাটি হও!
দুষিত স্পর্শের অন্ধকার মুছে কবির আলোয়
শুদ্ধ হও! ঋদ্ধ হও! কবি ছাড়া তুমি পূর্ণ নও।
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান