অনিন্দ্যসুন্দর কোনো নারী
আর যদি সেই নারীর হৃদয়
করে থাকি কামনা কখনো;
শপথ সে নারীর আর সে নারীর হৃদয়ের নামে-
যে পৃথিবী প্রেমশূন্য, মরীচিকা প্রেমের কল্পনা;
সেই পৃথিবীর প্রেমে আমি আজ উচ্ছ্বসিতপ্রাণ।
আমার দিনের আর রাত্রির শান্তির নামে
আর সেই বাসনার নামে-
যে বাসনা একদিন দেখেছিল স্বপ্ন
কোনো শান্তির নিলয় রচনার;
শপথ সে শান্তি আর
সে অমর্ত্য বাসনার নামে-
যুদ্ধ-হত্যা-লুণ্ঠনের উল্লাসের মুখে
যে পৃথিবী শঙ্কায় আকুল;
আমি সেই পৃথিবীর সতর্ক সন্তান।
পিতামাতা ভাইবোন প্রাণাপেক্ষা প্রিয়জন নিয়ে
যদি কভু করে থাকি শান্তিময় গৃহের কামনা;
শপথ সে মৃত্যুজয়ী কামনার নামে-
গৃহে গৃহে শান্তি যার হয়েছে লুণ্ঠিত,
সেই দুঃস্থ পৃথিবীতে শান্তির ঘোষণা নিয়ে যাবে
আমার কবিতা আর গান।
যে বণিক প্রেম এসে পৃথিবীকে সাজালো গণিকা,
ক্ষত চিহ্ন রেখে গেলো কুৎসিত কুটীল কামনার;
যে প্রেম মরিয়া আজ-
তার মুখোমুখি
আমার সৈনিক প্রেম
শপথের ভাস্বর স্বাক্ষর করে দান।
নীড়হারা শান্তিহারা মানুষের বিশীর্ণ নয়নে,
দেহের কঙ্কালে তার
আর তার মনোরাজ্যে
কে জ্বেলেছে নতুন মশাল;
আর তার হাতে হাতে সংগ্রামের ঘোষণা এবার-
নীড় যদি চেয়ে থাকি,
শান্তি যদি আমারো কামনা;
শপথ সে নীড় আর সেই শান্তি কামনার নামে-
আমার রচনা সেই সংগ্রামের অজেয় বিষাণ।
প্রেম যেথা পলাতক,
হৃদয় হৃদয় নয়-
এমন পৃথিবী যদি করে থাকি ঘৃণা-
সেই পৃথিবীর বুকে প্রেম আর হৃদয়ের
এবং প্রেমিক মানুষের
পত্তনের শপথ এবার।
অনিন্দ্যসুন্দর কোনো নারী আর
সে নারীর হৃদয়ের নামে,
শপথ প্রেমের নামে,
শপথ শান্তির নামে,
পৃথিবীর শান্তিহারা মানুষের নামে।
এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান