• মামদো ভূতের ছড়া / ‍আলি মেসবাহ

    তানানা নানানা তানানা তুই       মামদো ভূতের ছানা না ? তোর    দিল্লিকা দাদা-নানা না ? তানানা নানানা তানানা তুই       খাস কি, কচুরিপানা না? তোর     শকুনের চোখ-ডানা না? তানানা নানানা তানানা আর      লাল সবুজের পোস্টার মুখে অন্তরে লেখা না না না… তুই       ভেবেছিস কারো জানা না…


  • ঘটনা চক্র / আলি মেসবাহ

    কুত্তো দেখে ভয় পেয়ে এক বিল্লি দৌড়ে গিয়ে কল করেছে দিল্লি দিল্লি থেকে হুলো- ‘ও আচ্ছা, ইয়ে বাত হে ব্যাপার না এই গুলো।’ তারপরে কি সবারই তা জানা কুত্তো বিজি মোকদ্দমায় বিল্লি তা না না না।


  • ইনটালেকচুয়াল / আলি মেসবাহ

    হ্যান করেছি ত্যান করেছি দেশ প্রেমের এক প্ল্যান করেছি পত্রিকাতে জব করেছি বলতে গেলে সব করেছি সদ্য কিছু গদ্য লিখে দশের কাছে নাম করেছি একটা ভালো পার্টি দেখে নিজের ভালো দাম করেছি।


  • কি কি খাওয়া যায়! / আলি মেসবাহ

    শকুনীর ছা’য় লুটে পুটে খায়; খেয়েদেয়ে ভাবে ফের কি কি খাওয়া যায়! দিন খায় রাত খায় আরো কুল জাত খায় দুই হাতে ঘুষ খায় আস্ত মানুষ খায় পায় যার তার খায় মানবাধিকার খায় খেয়ে করে শেষ ছোট্ট এ দেশ। গপাগপ গদি খায় যত নদ-নদী খায় পথ-ঘাট সেতু খায় পেলে ধূমকেতু খায় গরিবের হক খায় খেয়ে…


  • শিরোনামহীন / আলি মেসবাহ

    আমার বুকে শুভ্রতা কই অতো, তোমায় দেবো? শুষেই নেবো সব ব্যাথা সব ক্ষত ! ও মানবী, শোনো- আমি কি আর ব্লটিং পেপার; হেলাল হাফিজ কোনো ?


  • ভুল ছিলো সব ? / আলি মেসবাহ

    পড়ছে মনে ? দিনগুলো সেই- খুব সহজেই কাঁদতে এবং হাসতে তুমি আর আমি এক উদাস কবি; তোমার চোখে চেয়ে চেয়েই… আর তুমি সেই হাটতে আমার আঙুল ধরে পার্কে এবং রাস্তা-ঘাটে যখন তখন। সাক্ষী ছিলো শেষ বিকেলের পড়ন্ত রোদ, তোমার কালো হাত ঘড়িটা এমন আরো অনেক কিছু- যা যা তুমি বাসতে ভালো এবং আলো এবং আঁধার…


  • সেই যে তোমার একটু চাওয়া / আলি মেসবাহ

    ডেকের পাশে ক্যানভাসারের বিরক্তিকর বকবকানি গদ্যে-পদ্যে করছিলো সে বিদ্যা জাহির অনায়াসে আমি তখন ক্লান্ত আমি; ঠিক তখনি- তুমি কেন অমন করে চাইতে গেলে আমারই বা কি দায় ছিল ওসব নিয়ে ভাবতে গেলাম… এখন আমার টিনের চালে বৃষ্টি পড়ে- বিছানাতে এপাশ-ওপাশ; ঘুম আসে না রাতটা কেমন অবাধ্য রাত ভীষণ রকম যন্ত্রনা দেয় এত্তটুকু মন বোঝে না।…