• জবাব

    (পাল্টাছড়া প্রতিয়োগিতার জন্য লেখা ছড়া…অক্টোবর,২০১৫) বলতে পারো কে বিছালো সবুজ ঘাসের চাদর ? কে দিয়েছে মা’য়ের কোলে ছোট্ট শিশুর আদর ?? কার আদেশে দূর আকাশে চাঁদ মামাটা হাসে ? কার হুকুমে ফুলের জীবন ভরেছে সুবাসে ?? কার কথাতে নিত্য প্রাতে সূর্য হেসে ওঠে ? নির্দেশে কার নদীগুলো সাগর পানে ছোটে ?? উপরের ছড়াটি দেওয়া ছিলো…


  • আমরা শিশু / সাইফ আলি

    আমরা শিশু পাঁপড়ি ফুলের প্রজাপতির ডানা, যা খুশি তা করতে পারি নেই কিছুতে মানা। আমরা হলাম রঙধনুকের সাতটি রঙের মেলা স্বপ্নে কাটে রাতগুলি আর সকাল হলেই খেলা। মন আমাদের আকাশ যেন স্বপ্ন তারায় ভরা ইচ্ছে, মধুর হাসি দিয়ে গড়বো সুখের ধরা। আমরা রাতের চাঁদ হতে চাই ভোরের রাঙা রবি আমরা গায়ক-শিল্পী হব কেউবা লেখক-কবি। আমরা…


  • পিছলে / সাইফ আলি

    খুব পেশাদার ব্যবসা আদার দাদার কথা বলছি শোনো- পোশাকে সে ভদ্র অতি, বাক্যালাপে খুব গোছানো। কথায় কথায় তেল মেরে যায় তেলতেলে তাই পিছলে অতি, এক টাকা সে লাভ করে না ব্যবসাটা তার পুরাই ক্ষতি। মুরগী মরা ডালের বড়া মসলা এবং সবজি ডালে আবোল তাবোল মিশিয়ে দিয়ে বিকোচ্ছে খুব সমান তালে। কিন্তু দাদার মুখের কথায় ভরসা…


  • অতঃপর কবির কবিতা-

    এই যে ভায়া আছেন কেমন শরীর টরির ভালো তো কাব্যপ্রেমী মনটা… দাঁড়ান দাঁড়ান একটুখানি বাজলো বুঝি ফোনটা। হ্যালো…জ্বি ভাই বলছি আমিই বলুন কি হয়েছে কে মরেছে কে ধরেছে কার এসব কথা বলুন তো ভাই কার শোনা দরকার আমায় কেনো ফোন করেছেন জানতে পারি?? কার হয়েছে বাসর ঘরে নজরদারী…!! ওকে ওকে খুব বুঝেছি দু’জন গেছে জেলে…


  • পাখির মতো ওইখানে কি যায় হারানো??

    হাটতে গিয়ে হোচট খেলে বলতে কি মা- পারিস না তুই, ডাকতে যখন শিখছি কেবল আব্বুকে কি বা’ বলিনি? তখন কি আর ওসব শুনে বলতে শিখবো না পথ চলতে… তখন তো ঠিক হাত ধরেছো শক্ত করে অল্প কথায় ঠিক বুঝেছো মনের ভাষা, এখন কেনো মুখের কথাও বুঝবে না আমার মনের রাস্তাটাকে খুঁজবে না? সিলেবাসের আকাশটা খুব…


  • গোঁফটার ঝোপটায় পালিয়েছে পিঁপড়া

    গোঁফটার ঝোপটায় পালিয়েছে পিঁপড়া এই নিয়ে হৈ চৈ চলছে মর মর ধর ধর ধরে তাকে চিপড়া বাহু নেড়ে গলা ছেড়ে বলছে। বলছে যে বলবান তার ছিলো ছোটো কান বলে বেশি শোনে কম লোকটা পিঁপড়ার ভাস্তি দিতে তাকে শাস্তি শামলাতে পারলো না ঝোকটা টুপ করে ঢুকে গেলো কানটায় যায় যায় লোকটার জানটাই গোঁফটার ঝোপটায় পালিয়েছে পিঁপড়া…


  • উল্টোছবি

    উল্টোছবি দেখছো কবি সামনে নিয়ে দর্পণ উল্টোকথায় করবে নাকি নিজেকে সমর্পণ। শুনছো যা সব, দেখছো কি তা? বাজছে কি সব উল্টোফিতা? বাজলে বাজুক ধার ধেরো না পারলে বলো সোজাটা একটু হলেও কাঁধের থেকে নামুক পাপের বোঝাটা- বিবেক যদি মূক হয়ে যায় মুখের কথার দাম কি; কথার কথায় ভিজুক চিড়ে কাব্যকথার কাম কি?


  • ধুর্ত শেয়াল

    ধুর্ত শেয়াল খুড়তো দেয়াল খুঁজতো তাজা লাশ, এমনি করেই সেই শেয়ালের কাটতো বারো মাস। দিন ছিলো না রাত ছিলো না মিছিল ফেরা লাশে, সেই শেয়ালের দৃষ্টি লোলুপ খিলখিলিয়ে হাসে। হঠাৎ সেদিন আমজনতা শেয়ালটাকে ধরে আস্ত মোটা কঞ্চিসহ বাঁশ দিয়েছে ভরে।


  • ডানপিটে

    উনপাজুড়ে হাড় পাজরে কয়খানা তোর একটুও কি ভয় করে না বুকের ভিতর, তিড়িং-বিড়িং ফড়িং যেনো ইচ্ছে হলেই হারিয়ে যাবি বাধার সকল প্রাচীর গলেই। তোর ঘাড়ে কি রাত-বিরাতে ভয় চাপে না; ছুটলে বুলেট ফুটলে বোমা বুক কাঁপে না? “তোমার ছেলে ভয় পেলে মা হও কি খুশি, তোমার কোলে রাখতে মাথা একটু না হয় হলাম দুষি…”


  • ওরা নাকি ভালো আছে / সাইফ আলি

    ওরা নাকি ভালো আছে ভালো আছে বস্তিতে, চাল-ডাল-তেলহীন নিদারুন সস্তিতে। এদিকে সকল গুণী মেতে আছে টুনটুনি দোস্তিতে, ওরা নাকি ভালো আছে বস্তিতে! লাগলে ভোটের হাওয়া নেতাদের আসা-যাওয়া বেড়ে যায়; গুণীজন মুখ খোলে চায়েতে ধুম্র তোলে পয়সার পিঠে ঠোঁট নেড়ে যায়। চায়ের দোকানে তাই দেখে টিভি পর্দায় হঠাৎ কে বলে ওঠে- ‘লাথি মার পাজরের অস্থিতে।’ ওরা…


  • তৈল চিকিৎসা / সাইফ আলি

    বলতে গেলে অল্প কথায় শেষ হবে না বলা তখন তুমি বলবে রেগে- নামাও তোমার গলা; তার থেকে এই না বলাতেই সই কি লাভ বলো বাধিয়ে হৈ চৈ। তবুও তুমি বললে যখন অল্প কিছু বলি বোতলজাত তৈল এবার কার টাকে যে ডলি! সকাল বেলা হাটতে গিয়ে পাশের বাড়ির ছেলে মাথর উপর এক শিশি তেল পুরোই দিলো…