-
রাত্রের কবিতা / মুসা আল হাফিজ
নির্জন রাতগুলো অপার্থিব আলোর উৎসবে কাটিয়ে দিতামআমার ভিতরের আমিকে নিয়ে একদিন সে হারিয়ে গেলো তাকে খুঁজতে নেমে গেলামআত্মার বীভিষিকাময় অন্ধকার গহবরেতৎক্ষণাৎ চারটি সাপ ফুসফুস করে ফণা তুললো একটি সাপ লাল, আগুনের জিহবার মতোএকটি সাপ কালো, দাজ্জালের চোখের মতোআরেকটি সাপ ইবলিসের রোমশ হাতের মতো সটান হয়েবিষাক্ত নিঃশ্বাসে ছড়িয়ে দিচ্ছে দুজখের যন্ত্রণা দেখলাম নদী ভাঙনের ফাটলের মতো…
-
কবিতার ঝড় / মুসা আল হাফিজ
অদূরেই বেজে ওঠে হৃদয়ের সুরমৃন্ময়ী রুমীর ডাক বর্ণমালার মতো কানে বাজেবাতাসে ছড়িয়ে পড়ে উছলানোলোভতখন কে ঘুমায় রে? কোন গুহাঘরে? আমিতো দীপ্রব্রাজকের মতো ছুটে যাইআমার পায়ের স্পর্শে দুলে ওঠে সনাতন ধুলোবুসিরীর বুর্দাকামী পথিকের কাছে যেনো তার কিছু কথা আছেআমার গতির ঝড়ে জেগে ওঠে অসংখ্য প্রহরএকরোখা অবাধ্যপ্রহর,স্বর্ণিল সৃজনপ্রহরপ্রহরগুলো প্রকম্পিত কোন এক আশিকের সুগভীর নিঃশ্বাসে আমার পথের পাশে…
-
ঈভের হ্রদের মাছ / মুসা আল হাফিজ
হে চন্দ্র! তোমাকে হ্রদ দেখাবোতাতে বেদনার কলজেছেঁচা রক্ততৃষ্ণার তান্ডবে দাউ দাউ করে জ্বলছে ! তুমিতো লাবণ্যের মুখ, পূর্ণমানুষ নওতবু তোমাকে আজ বুকের হ্রদ দেখাবো। গোলাপের সুরভিকেতুঙ্গউচ্ছাস দিলো যার লবণাক্ত ঢেউসত্যের চাদর তাকে বিশ্বাসের মন্ত্রে ঢেকে রাখে! কখনো দোয়েলের শিসে নড়ে ওঠেবাতাসের যুক্তিতেদুলে ওঠে জলরাশি;সে তো আমারই বিগলিত প্রসারপ্রাচীরের আড়াল থেকে কেউ যাকেনাম দিয়েছিলো সভ্যতা! এই…
-
আদমের আত্মজীবনী থেকে / মুসা আল হাফিজ
সূর্যের মস্তক ছুঁয়েস্বর্গভ্রষ্ট লাবণ্যেরস্পর্শ খুঁজছিলাম! মেঘেরা উপহাসে হৈ হৈ করে উঠলোচোখের বিষাদ ধুয়েঐশ্বর্যের ঢেউজলনীলিমা মাতানো স্বপ্নেহৃদয়ের ছড়ায় বাহার! জরা নয়, ভীতি নয় সঙ্গে ছিল শস্য ও মধুতবুও আমার দুর্নামেগোটা শূন্যেকেবল ফিসফিস? উড়ন্ত সত্য যেন মাতাল জাহাজ,আনন্দ দুর্ধর্ষআসামীর মতো হৃদয় পলাতক। আল্লাহর ওয়াদাগুলোবর্ষার ইলিশের মতোমগ্ন মোহনায়! কোথাও আভাস নেই,আর্দ্র প্রভাত নেইভোরের সম্ভাবনায় কাম্যমুগ্ধতারকোথায় তালাশ? সে কোথায়,…
-
সত্যের চাটি / মুসা আল হাফিজ
আজকাল আমার কী হলো?নদীকে গিয়ে বলি থামো, বাতাসকে শুনো, পাহাড়কে জাগো, বৃক্ষকে এসোলোহিত সাগর, নায়াগ্রা, আফ্রিকা আর হাজার বছরের ঘোড়ার দাপটেসারারাত ঘুমাতে পারি না। আমার দৃষ্টির শিহরণ থেকে আলো-অন্ধকারের উড়াজালপৃথিবীর প্রতিটি শব্দকে তুলে আনে আঙ্গিনায়। কোন এক স্বপ্নবণিকএইসব শব্দে নিসর্গকে পান্ডুলিপি বানাতে বলেউত্থান-পতনের, ঘাম-রক্তের, রমনী-প্রজন্মের, সত্যের বর্ণশিখার,দাউ দাউ কান্না-হাসির এবং মানুষের ভেতরের শিল্পনগরে ধূমায়িত বাষ্পকীভাবে…
-
সেলফি / মুসা আল হাফিজ
তারা তোমাকে পাথর দিয়ে মারেধারালো পাথর, টুকরো টুকরো, ছোট, বড়!শত শত, হাজার হাজার পাথরতারা নিক্ষেপ করে তোমার বুকে, মুখে, হাতে, পায়ে!তোমার ঘর নেইদাঁড়াবার নেই পাটাতনতোমার বন্ধুদের অনেকেই পাথরবৃষ্টি দেখে পালিয়ে গেছেকেউ আবার পাথর হয়ে আছড়ে পড়েছে তোমার মাথায়!তুমি এক নাছোড়!পাথরের ঢেউয়ে ঢেউয়ে চলছো উজান!শরীরে পুড়ছে ব্যথা, মনে জ্বলছে প্রত্যয়!সে তো অনেক আগের গল্প। তারপর বয়ে…
-
সমস্যা! / মুসা আল হাফিজ
সমস্যা এটাই নয় যে, আমরা দড়িকে গলায় ঝুলিয়েছিসমস্যা হলো,সাপকে দড়ি ভেবেছি! কিন্তু আসল সমস্যা আরো গভীরে।আমরা বলতে পারছি না,সাপ আসলে কী? কেউ বলছি, সাপ বহুবর্ণে চিত্রিত সুন্দর!কেউ বলছি,সাপ নরোম দেহের এক গতিশীল মায়াবিতা!কেউ বলছি, সাপ মানেই সাহস ও উত্থান!কেউ ভাবছি, সাপমাত্রই প্রতিপক্ষ, দেখামাত্রই হত্যা! আমরা যার যার দাবি নিয়ে ঝগড়া করছি,এটাই সমস্যা নয়।ঝগড়ার ভেতরেই গলার…
-
বোধনজলে / মুসা আল হাফিজ
দুলছি ঢেউয়ে হাহাকারমাখা চিঠির স্মৃতি যেমন দোলেদীর্ঘশ্বাসে। ঢেউগুলো মেতে আছে অসীম নিরালায় তীর্থলোভীদের পাড়ে আমার কাজ নেই ছুটন্ত নদীর একাগ্রতাকে বুকে চেপেঅনাঘ্রাত পুষ্পের হৃদক¤পন কিংবা কৈশোর ও ঘুঘুদুপুরেরমাতাল করা গন্ধে দুলছি কালের জলে আদিপ্রেমতাড়না! তৃণাগ্নির ভ‚মিপ্রেম কিংবা স্মৃতির ভাঙাবাড়ী থেকেশ্রাবণ- আশ্বিন যদি মেঘে মেঘে টাইগারের মেতালাফাতে লাফাতে মাঠে-বাটে বিষাদ ঝরায়- কেউ করো না বারণ আমি…
-
বাকার বর্ণনা / মুসা আল হাফিজ
এক.আছি আরণ্যে, শিয়রে মৃত্য,শীতল নিঃশ্বাসে থমথমে চারপাশ গাছের ডালপালায় দুঃস্বপ্নের পাতা নড়ছে! দ্রবীভ‚ত পর্বতে ঝাঁপিয়ে পড়ে উপেক্ষার আষাঢ়,স্বপ্নের চারাবনে দৌড়ায় অদম্য উন্মাদ,প্রকৃতির গলিত পূজে ভরে যাচ্ছেইথারের ঝিল! আর আমি এক দিগন্তবিস্তৃত বৈভবকোনো মরমী সবুজে-মানুষের পরাজয় অস্বীকৃতির নানা উপমায়চাঁদের ঘর-দোরকে করে ফেলিকবিতার মসনবী! লবণাক্তনির্জনে বহুবর্ণ কবিতা ঝরায় ছন্দের স্বাদুশিষ,রমণীরা ক্ষুধার জবাব পরিপাক করতে উনুনে যাকে ভাঁজেমৌ…
-
পথ / মুসা আল হাফিজ
পথ বা জীবন নয়, যেন মত্তরণ চলছি ভেঙ্গে-গড়ে! এগারোটি পথমুখে প্রাচীর দেখেঅবশেষে এটাই ছিলো দৃশ্যমান বিকল্পবাড়ি ফেরার। অদ্ভুত আলো-আঁধারি,অন্তহীন কোন সাগরের প্রশান্তি থেকে আলোআর কারো নির্লজ্জ ফুঁৎকার থেকে আসছে উল্লসিত আঁধারযেনো নিঃশব্দ সংঘর্ষের গর্জনে এখনি কেঁপে উঠবেমেঘের শহর। এখনি ভয়াবহ স্তব্ধতা খান খান হয়ে যাবেপাথর বর্ষণে। তারার তীর্যক দ্যুতি সংঘর্ষের অক্ষরে ভরে গেছেবাতাসের গাম্ভির্যে হাঁসফাঁস…
-
ট্রেন / মুসা আল হাফিজ
ট্রেন ছুটলাম গভীর রাতে রহস্যের সুর তুলেগন্ধবহ উদ্দাম ঝড়ে নির্জনতা মাঠে মাঠে ছড়ানো ভাঙা ডিমের মতোমানবমহাবনে মাতৃক্রোড়ের মতো লুটিয়ে পড়লো কাল মহাকালহাটাচলা করে প্রশান্ত মেঘের পাশে বসন্তের ভোরগলে যায় জ্যোৎস্নার ঘোড়া।অনুরাগ ঝরে মাতৃদুগ্ধ; দিগন্তের অধিকারে মুগ্ধপলিতেট্রেন ছুটছি সুগভীর, নিস্তব্ধ মোরাকাবার প্রগাঢ় শিহরণে ট্রেন ট্রেন! অ¤¬ান কোকিলের মনে রুমীর মত্ততা আরশীতার্ত বৃক্ষের গায়ে বৃষ্টিধারা ঢেলে অদৃশ্য…
-

মুসা আল হাফিজের কবিতা
০১. এখানে এখন০২. দার্শনিকের প্রতি০৩. তোমার প্রতি০৪. তখনও লিখব প্রেমের কবিতা?০৫. তোমার আচরণ০৬. নিবেদনের কবিতা০৭. তিনি০৮. মদকাব্য০৯. অন্বেষণ১০. শ্রমিক১১. কাকগীতি১২. নমরুদের শ্বেতপত্র১৩. পুঁজির অরণ্যে১৪. রুমীর বিলাপ১৫. তোমার রহস্যে১৬. তৃতীয়বিশ্ব১৭. পাঠ১৮. অনিবার্য১৯. দুঃসহ রাত্রি এলে২০. প্রশ্ন২১. আজ রাতে তারাগুলো২২. নদী২৩. নতুন দিনের কাব্য২৪. রাতজাগা মানুষের পিছে২৫. গণিত২৬. টিউমার২৭. সেজদা২৮. মহাবিশ্বের করতালি২৯. আমোঘ সাইরেন৩০. লাশের অট্টহাসি৩১. ট্রেন৩২.…
-
লাশের অট্টহাসি / মুসা আল হাফিজ
বাতাসের শোরগোলে টেবিলের স্থিরদৃষ্টি রাস্তায় বেরিয়ে আসিদেখি রহস্যমানুষেরা এসে ভিড়েছে চৌরাস্তায় চায়ের দোকানেচায়ের কাপে বিদ্যুৎ আর জ্যোৎস্না। যেদিকেই চোখ যায়নরনারী অবিরত তারকার মতো প্রাগৌতিহাসিক চালেমার্চপাস্ট করছে শহরময়অতীত সরোবর থেকে তরল শীতলতা চারদিকে ছিটায়,গুড়োঁইটের মতো ছিন্নভিন্ন কষ্টেরা তাদের চোখে মুখে নিস্করুণনড়ে ওঠে। যেনো চাঁদের চামড়া ছিড়ে ঝরা রক্তে অদৃশ্যআগুন কেউ লাগিয়েছে। যারা চায়ের দোকানে বসেছিলো চা-ঘরে…
-
আমোঘ সাইরেন / মুসা আল হাফিজ
আমাকে আমি দেখছি না দীর্ঘদিন ধরেকারা এসে চোখ বেঁধে আমাকে গহ্বরে ফেলে যাওয়ার পর বয়ে যাচ্ছে যুগের পর যুগ দেখছি না আকাশ-বাতাস জুড়ে আলো আর অন্ধকারে নিঃশব্দ সংঘাতদেখছি না শব্দের ফুলগুলো আহত পাখির রক্তে কীভাবে জ্বলে উঠছে লেলিহান শিখার মতোদেখছি না স্বপ্নের মিনার লক্ষ্যে ধেয়ে আসা রাহুর প্রতি পূর্ণিমার সংক্ষোভ কীভাবে শুয়োরগুলো সূর্যের দিকে ধেয়ে…
-
মহাবিশ্বের করতালি / মুসা আল হাফিজ
এক.ধমনী আমার নদীহৃদয় সমুদ্রপ্রেম গহীন আফ্রিকা;আত্মা আকাশ; যার ছাদ ছেয়ে আছেহাওয়ায় ছুটন্তমেঘের হ্রেষা।নিঃশ্বাসের ফেনা ঠেলে নিবিড় উড়াজালক্ষিপ্র মাছরাঙ্গা চোখের আগ্রহেশিকারীর ত্রস্ত হাতেআলখেল্লার মতো ঘিরে ফেলেতাবৎ নীলিমা।আমারদৃষ্টির প্রভাবিমুগ্ধ বৃষ্টি ঝরায়স্নেহের সৌরলোকে!কঠিন গাম্ভির্যের শহরডাগর পলীর জরায়ূতে নেয়েভাসিয়ে নেয় তুমুলশ্রী শ্রাবণ।চোখের মৃত্তিকা নড়লেইউল্লাসে মেতে ওঠেনিসর্গের বিশাল তৃণাঞ্চল। আমার বিশটি অঙ্গুলি থেকেসমস্ত স্রোতধারাছুটে যায় মাঠে মাঠে;রজনী মাতাল করে এবংতোমাকে…
-
সেজদা / মুসা আল হাফিজ
রাতের তৃতীয় প্রহর।হজ্বের গিলাফ গায়ে জড়ানো চাঁদ প্রস্তুতির গোসল সেরেকুরবানির দুম্বাদের সাথে আকাশে পায়চারি করছে। আমি তিনজন গাছের সাথে একান্ত আলাপ সেরে হঠাৎ উপরে তাকালাম।চাঁদের শরীর বেয়ে গোসলের ফোটা ফোটা দুধ ঝরে পড়ছে।উড়ন্ত চুমু দিয়ে সে আমাকে স্বাগত জানালো। চাঁদকে ধন্যবাদ জানিয়েমহাশূন্যে বিশেষ আসরে যাত্রা করলাম। কেমন আয়োজন ছিলো? জানতে চেয়ো না।পাহাড়,নদী-নালা,বৃক্ষ, পশু- পাখি সকলেই…
-
টিউমার / মুসা আল হাফিজ
(এইচ. জি. ওয়েলসকে মনে রেখে) আমি সীমান্তের সর্বশেষপাহাড়ের মাথা থেকেপা পিছলে পড়ে গেলাম। গÐারের শিংয়ের মতো রাগীপাথরের ধারে রক্তাক্ত আমিগড়ান খেতে খেতে নেমে এলাম নিচে! আরেক দেশ।সীমান্তপ্রহরী।বন্দুক। মারণাস্ত্র। চেতনা ফিরে পেয়ে আমি যেইতাকালাম চারদিকে-একটি নদী ছিলো সামনেছলাৎ ছলাৎ পানি, জীবনের দুধ-ডাকলো, কাছে আয়! আমি পান করবো পানিকিংবা আমাকে পান করবে-নদীর মাতৃস্নেহ? গেলাম নদীর কাছেকে জানতো,…
-
গণিত / মুসা আল হাফিজ
আমি তো গণিতের সমাধান বের করিকিন্তু গণিতবিদরা আমাকেই একটি সমস্যা মনে করেন। কারণ যখন খাতা হাজির করা হয়,আমি হাজির করি জীবন! বলা হয়, যোগ করো! আমি যোগ করি আত্মশক্তিকে।বলা হয়, বিয়োগ করো! আমি বিয়োগ করি পরাজয়কে।বলা হয় গুণ করো! আমি গুণ করি ভালোবাসাকে।বলা হয়,ভাগ করো! আমি ভাগ করি দুঃখকে।বলা হয় সমীকরণ দাও! আমি দিই নিজের…
-
রাতজাগা মানুষের পিছে / মুসা আল হাফিজ
ফুটন্ত দীর্ঘশ্বাসগুলো রাতের নদীতে ফেলে দিয়েনক্ষত্রকে স্বাক্ষী রেখে সমুদ্রে শয্যা পাতলাম অমর্ত অরণ্য থেকে ছুটে এলো জ্যোৎস্নার ঘোড়াতার খুরের দাপটে পালিয়ে গেলো নির্লজ্জ শেয়ালনতুবা মধ্যরাত এখনো প্রক¤িপত হতো জ্বলজ্বলে চিৎকারে বিমূর্ত ঘোড়ার কণ্ঠ বেজে উঠলো বাতাসের উর্মীর মতোসে বললো ওঠো ওঠো একটু পরেই সামুদ্রিক মাইনগুলোফেটে পড়বে বর্বরের হাসিতে সমুদ্র ছেড়ে এসে প্রান্তর, উপত্যকা, জনপদনদীনালা, শূন্যের…
-
নতুন দিনের কাব্য / মুসা আল হাফিজ
মানুষের হৃদয় অন্ধকারের সর্পিল ছোবলে যন্ত্রণার চুল্লির মতো জ্বলতেথাকবে আর কতোকাল? আর কতোকাল মানুষের কলজে ছেঁচেরক্তস্বাদ নিয়ে থাকবে আধারাবৃত মত্ত হায়েনার জিভ?আর কতোকাল চলবে বর্বরের আধিপত্য, লা¤পট্যের নৃত্য আর বুদ্ধিরব্যভিচার? অন্ধ রাত্রি থাকলে পশুপণা থাকবেই অতএব, পশ্চিম থেকে ধেয়ে আসা অন্ধকারের হৃদয়হীনদর্শনের বিরুদ্ধে আমরা জ্বালিয়ে দিয়েছি বিশ্বাসের বিদ্যুৎশিখা নির্জীব রাত্রি সাপের উদরের মতো মৃত্যুগহŸরে ইতিহাসেরখুরের…