-
উদ্ভাস / মুসা আল হাফিজ
বৃক্ষেরা, তারার মহল্লায় দেখো সংঘর্ষ সুন্দরেরআগামী সুন্দরের সাথে লড়ছেনঅতীত সুন্দর ! মৃত্তিকা থেকে ঝরছে ঘামের শিশির ভূতল মৃত্তিকায়মাঠ হয়ে যাচ্ছে কারুকাজ-ফোটা ফোটা সুন্দরের রক্তে ! সময় ভিজিয়ে দিচ্ছে নীহারিকার কল্যাণাশ্রু সময়-লালশিখা অশ্ব ধুসর কিংবা স্নিগ্ধ দূর্দান্তঝাঁপিয়ে পড়ে চাঁদের মঙ্গলমনোবনে পাখির চঞ্চু বাতাস ভরে তুলছেসংঘর্ষের বৃত্তান্তে সতেজ উষ্ণতা এসে জড়িয়ে ধরছে নির্জন আররুদ্ধশ্বাস হরিণীর সামনে প্রাচীর;জ্যোৎস্নায়…
-
পৃথিবীর আদিঅন্তে / মুসা আল হাফিজ
খনিশ্রমিকের দুঃখকষ্ট বাঘের শরীরে লিখে নিয়েমাংসাশী জঙ্গলের তুফানী রাতেএকপাল হরিণীকে কবিতার পঙক্তি দিয়েসারারাত পাহারা দিলাম জ্যোৎস্নার নিকুঞ্জে আমার পাঞ্জাবীটা নিস্পাপ শিশুর মতোবেহুলার শব্দে সচকিতসেই শব্দে জড়িয়ে আছে কতো পুষ্পের ভালোবাসাঅরণ্যে ছড়ালো তার হার্দিক ঢল সহসা একঝাঁক পাখি আমার আকাশ জুড়ে উড়াল দিয়ে উঠলোগানে গানে রাতভর তারা আনাল হকের আগুন ছড়ালো আমার ব্যাকুল প্রাণ দুমেরু মাতাল…
-
ক্ষুধার্ত পৃথিবীর / মুসা আল হাফিজ
এখানে মৃতদের মুখের সারিএখানে তৃণাগ্নি, রুরোদ্যমেঘএখানে ফালাফালা উর্বরতামার্চপাস্ট করে ছুটছে উত্তরাধুনিক পল্টনে প্রাকৃতিক দোয়েলী পিঞ্জরভাঙছে উন্মত্ত ডানায়সিদ্ধরমনীরা উনুন থেকে লাফিয়ে পড়ছে শিল্পের সহবাসেকোথায় খা খা ক্রোধ, আণবিক পুরোহিত? দেখো দেখো সাগর পেরিয়ে আসছে অনাঘ্রাত সভ্যতাঢেউয়ের জৌলুসে প্লাবন ওঠে সবুজ পল্লবে তামাটে চরেরতারপর বিক্ষোভ হবে চন্দ্রপ্ল্যাকার্ড হাতে হাতে এখানে সুসজ্জিত বিক্ষোভ লাঙ্গলের ফালের মতো চকচকেএখানে উত্তাল…
-
শাশ্বতমুগ্ধ / মুসা আল হাফিজ
মুসা আল হাফিজের কী হয়েছে, কেউই বলতে পারছে নাতসবিহদানা গোণেতার মাকামনা করছেন সুস্থতা! মধ্যবিত্তলাঙ্গল টেনে টেনেক্লান্ত পিতারদীর্ঘশ্বাসেউত্তপ্ত পুত্রস্নেহ! ডাক্তার দাওয়াই দিয়ে চলে গেছেন শহরেইলশেগুঁড়ি বৃষ্টির মতো আরোগ্যকামনাবর্ষিত হচ্ছে তার নামেআহা! বেচারা নীলিমার ইশকুলেনৈসর্গিক পরীক্ষাটা এবার দিতে পারলো না! আগরপুরী কবিরাজ বলেছেন- তার সাথেএকদল বদজীন খেলা করেহায়রে বদজীন! যতোদোষ, নন্দঘোষ!প্রাগৌতিহাসিক কাল থেকেই তোমরাপ্রতিটি রোগের আড়ালে খেলা…
-
এখানে কালের পাখি / মুসা আল হাফিজ
রাতের প্লাটফর্মে শোনো পৃথিবীর গোঙানীবুকে তার শতাব্দীর কুঠিল কুকুরহানে ক্রমাগত গোখরোছোবল চোখে মুখে দাউ দাউ শ্মশানরে যন্ত্রণা নিয়েশান্তির বলয় থেকে নির্বাসিত পৃথিবীটিঅসুরীয় তমসার তলে তড়পায় কোথায় স্টেশন তার মানবিক রোদে?কোথায় প্রশান্তি তার সূর্যসুদ্ধিস্নানে?কোথায় মুক্তি তার আলোকিত ভোরে? প্রশ্নগুলো বেজে ওঠে গানের পাখির কণ্ঠেযে পাখি রাতভর জনপদে করে হাহাকার! প্রমত্ব কুকুরগুলো হত্যা আর ধ্বংস নিয়ে ছুটে…
-
প্রিয় মুখ! / মুসা আল হাফিজ
টাইমলাইন থেকেঘুঁষি এসেপাঁজরে লাগছে! হাড়ের গুহা থেকে বেরিয়েরাতের দিকে হেঁটে চলাএকপরিবার দুঃখ আমি! আমার বিধ্বস্ত মুখকে যখন দেখছি,দেখাকে উড়িয়ে নিয়েদমকা হাওয়াসাদাপোশাকমৃত্যুর ভারেবুড়িয়ে যাওয়া স্ট্যাটাসের মতোধুকতে লাগলো! একপরিবার দুঃখ আমিমাথার ভেতর ভিজিয়ে রাখিবাবার শুকনো মুখ! যা ছিলো শোবার ঘর,এখন সে বিরানভূমির ছায়া! সেখানে একটিনিদ্রাহরণকারী ছবি ছিলো প্রিয়মুখের,যার ডাকনাম সম্ভাবনা। তার হাসির উপর চাপিয়েদেয়া হয়েছে বিশেষ নেমপ্লেট!…
-
অন্ধগলির কবিতা / মুসা আল হাফিজ
মার্কেটের লাগোয়া গলিপ্রতিবার দোকানে যেতেগলিটায় মাতাল স্বার্থের ডানা ঝাড়াকাকের ধূর্ত অন্ধকার চোখে পড়ে অভিজাত অশ্বেরা, বাঘিনী সুন্দরীরাতাদের কি প্রেম দরকার?প্যান্ট-ব্লাউজের মতোপ্রণয় বদল তাদের লোভের আধুনিক জঙ্গমতাতারা পরকীয়ায় জমেছে গলির অন্ধকারে এই ভ্রষ্ট রাত, এই মত্ত মজমাবেশ্যা টিটকারীতে কাঁপায় প্লাটফর্ম তবু এই লাস্যময়ীচেহারায় পাঁচ জনের লালার দাগ নিয়েওলাবণ্যের কসম খেয়ে কী শুধাতে চায়? দাঁড়ালাম বিবর্ণ ইতস্ততায়-…
-
রাত্রের কবিতা / মুসা আল হাফিজ
নির্জন রাতগুলো অপার্থিব আলোর উৎসবে কাটিয়ে দিতামআমার ভিতরের আমিকে নিয়ে একদিন সে হারিয়ে গেলো তাকে খুঁজতে নেমে গেলামআত্মার বীভিষিকাময় অন্ধকার গহবরেতৎক্ষণাৎ চারটি সাপ ফুসফুস করে ফণা তুললো একটি সাপ লাল, আগুনের জিহবার মতোএকটি সাপ কালো, দাজ্জালের চোখের মতোআরেকটি সাপ ইবলিসের রোমশ হাতের মতো সটান হয়েবিষাক্ত নিঃশ্বাসে ছড়িয়ে দিচ্ছে দুজখের যন্ত্রণা দেখলাম নদী ভাঙনের ফাটলের মতো…
-
কবিতার ঝড় / মুসা আল হাফিজ
অদূরেই বেজে ওঠে হৃদয়ের সুরমৃন্ময়ী রুমীর ডাক বর্ণমালার মতো কানে বাজেবাতাসে ছড়িয়ে পড়ে উছলানোলোভতখন কে ঘুমায় রে? কোন গুহাঘরে? আমিতো দীপ্রব্রাজকের মতো ছুটে যাইআমার পায়ের স্পর্শে দুলে ওঠে সনাতন ধুলোবুসিরীর বুর্দাকামী পথিকের কাছে যেনো তার কিছু কথা আছেআমার গতির ঝড়ে জেগে ওঠে অসংখ্য প্রহরএকরোখা অবাধ্যপ্রহর,স্বর্ণিল সৃজনপ্রহরপ্রহরগুলো প্রকম্পিত কোন এক আশিকের সুগভীর নিঃশ্বাসে আমার পথের পাশে…
-
ঈভের হ্রদের মাছ / মুসা আল হাফিজ
হে চন্দ্র! তোমাকে হ্রদ দেখাবোতাতে বেদনার কলজেছেঁচা রক্ততৃষ্ণার তান্ডবে দাউ দাউ করে জ্বলছে ! তুমিতো লাবণ্যের মুখ, পূর্ণমানুষ নওতবু তোমাকে আজ বুকের হ্রদ দেখাবো। গোলাপের সুরভিকেতুঙ্গউচ্ছাস দিলো যার লবণাক্ত ঢেউসত্যের চাদর তাকে বিশ্বাসের মন্ত্রে ঢেকে রাখে! কখনো দোয়েলের শিসে নড়ে ওঠেবাতাসের যুক্তিতেদুলে ওঠে জলরাশি;সে তো আমারই বিগলিত প্রসারপ্রাচীরের আড়াল থেকে কেউ যাকেনাম দিয়েছিলো সভ্যতা! এই…
-
আদমের আত্মজীবনী থেকে / মুসা আল হাফিজ
সূর্যের মস্তক ছুঁয়েস্বর্গভ্রষ্ট লাবণ্যেরস্পর্শ খুঁজছিলাম! মেঘেরা উপহাসে হৈ হৈ করে উঠলোচোখের বিষাদ ধুয়েঐশ্বর্যের ঢেউজলনীলিমা মাতানো স্বপ্নেহৃদয়ের ছড়ায় বাহার! জরা নয়, ভীতি নয় সঙ্গে ছিল শস্য ও মধুতবুও আমার দুর্নামেগোটা শূন্যেকেবল ফিসফিস? উড়ন্ত সত্য যেন মাতাল জাহাজ,আনন্দ দুর্ধর্ষআসামীর মতো হৃদয় পলাতক। আল্লাহর ওয়াদাগুলোবর্ষার ইলিশের মতোমগ্ন মোহনায়! কোথাও আভাস নেই,আর্দ্র প্রভাত নেইভোরের সম্ভাবনায় কাম্যমুগ্ধতারকোথায় তালাশ? সে কোথায়,…
-
পরম প্রান্তরে / মুসা আল হাফিজ
নিঃস্পন্দ শহর । সময়ের নিশ্বাসগুলোগন্ধপুষ্পের নিগুড়তায়লুটিয়ে পড়ছে! অতৃপ্ত ছলছল দীঘি বুকের আবেগ লুকিয়েথেমে গেলো হঠাৎ :যেনো কে আসবেন! পিছনে শহরইন্দ্রজাল হৃদ্যতার টানে ছুটছি পথিক রাত্রি মুখর করে বিবসনা লোভনদীতরঙ্গের মতো ডেকে ওঠে – ওগোবিমুগ্ধ শব্দের দোলে অলস রাত্রিতে ওঠে তুঙ্গউচ্ছাস তারল্যের মায়া ডাকছে কামগন্ধে আমাকেআর সুরভিত হৃদির দিকে আত্মার জলবায়ু মস্তিস্কে তোলপাড় উঠলো কোথায় যাবো?এশিয়ার…
-
সত্যের চাটি / মুসা আল হাফিজ
আজকাল আমার কী হলো?নদীকে গিয়ে বলি থামো, বাতাসকে শুনো, পাহাড়কে জাগো, বৃক্ষকে এসোলোহিত সাগর, নায়াগ্রা, আফ্রিকা আর হাজার বছরের ঘোড়ার দাপটেসারারাত ঘুমাতে পারি না। আমার দৃষ্টির শিহরণ থেকে আলো-অন্ধকারের উড়াজালপৃথিবীর প্রতিটি শব্দকে তুলে আনে আঙ্গিনায়। কোন এক স্বপ্নবণিকএইসব শব্দে নিসর্গকে পান্ডুলিপি বানাতে বলেউত্থান-পতনের, ঘাম-রক্তের, রমনী-প্রজন্মের, সত্যের বর্ণশিখার,দাউ দাউ কান্না-হাসির এবং মানুষের ভেতরের শিল্পনগরে ধূমায়িত বাষ্পকীভাবে…
-
সেলফি / মুসা আল হাফিজ
তারা তোমাকে পাথর দিয়ে মারেধারালো পাথর, টুকরো টুকরো, ছোট, বড়!শত শত, হাজার হাজার পাথরতারা নিক্ষেপ করে তোমার বুকে, মুখে, হাতে, পায়ে!তোমার ঘর নেইদাঁড়াবার নেই পাটাতনতোমার বন্ধুদের অনেকেই পাথরবৃষ্টি দেখে পালিয়ে গেছেকেউ আবার পাথর হয়ে আছড়ে পড়েছে তোমার মাথায়!তুমি এক নাছোড়!পাথরের ঢেউয়ে ঢেউয়ে চলছো উজান!শরীরে পুড়ছে ব্যথা, মনে জ্বলছে প্রত্যয়!সে তো অনেক আগের গল্প। তারপর বয়ে…
-
সমস্যা! / মুসা আল হাফিজ
সমস্যা এটাই নয় যে, আমরা দড়িকে গলায় ঝুলিয়েছিসমস্যা হলো,সাপকে দড়ি ভেবেছি! কিন্তু আসল সমস্যা আরো গভীরে।আমরা বলতে পারছি না,সাপ আসলে কী? কেউ বলছি, সাপ বহুবর্ণে চিত্রিত সুন্দর!কেউ বলছি,সাপ নরোম দেহের এক গতিশীল মায়াবিতা!কেউ বলছি, সাপ মানেই সাহস ও উত্থান!কেউ ভাবছি, সাপমাত্রই প্রতিপক্ষ, দেখামাত্রই হত্যা! আমরা যার যার দাবি নিয়ে ঝগড়া করছি,এটাই সমস্যা নয়।ঝগড়ার ভেতরেই গলার…
-
বোধনজলে / মুসা আল হাফিজ
দুলছি ঢেউয়ে হাহাকারমাখা চিঠির স্মৃতি যেমন দোলেদীর্ঘশ্বাসে। ঢেউগুলো মেতে আছে অসীম নিরালায় তীর্থলোভীদের পাড়ে আমার কাজ নেই ছুটন্ত নদীর একাগ্রতাকে বুকে চেপেঅনাঘ্রাত পুষ্পের হৃদক¤পন কিংবা কৈশোর ও ঘুঘুদুপুরেরমাতাল করা গন্ধে দুলছি কালের জলে আদিপ্রেমতাড়না! তৃণাগ্নির ভ‚মিপ্রেম কিংবা স্মৃতির ভাঙাবাড়ী থেকেশ্রাবণ- আশ্বিন যদি মেঘে মেঘে টাইগারের মেতালাফাতে লাফাতে মাঠে-বাটে বিষাদ ঝরায়- কেউ করো না বারণ আমি…
-
বাকার বর্ণনা / মুসা আল হাফিজ
এক.আছি আরণ্যে, শিয়রে মৃত্য,শীতল নিঃশ্বাসে থমথমে চারপাশ গাছের ডালপালায় দুঃস্বপ্নের পাতা নড়ছে! দ্রবীভ‚ত পর্বতে ঝাঁপিয়ে পড়ে উপেক্ষার আষাঢ়,স্বপ্নের চারাবনে দৌড়ায় অদম্য উন্মাদ,প্রকৃতির গলিত পূজে ভরে যাচ্ছেইথারের ঝিল! আর আমি এক দিগন্তবিস্তৃত বৈভবকোনো মরমী সবুজে-মানুষের পরাজয় অস্বীকৃতির নানা উপমায়চাঁদের ঘর-দোরকে করে ফেলিকবিতার মসনবী! লবণাক্তনির্জনে বহুবর্ণ কবিতা ঝরায় ছন্দের স্বাদুশিষ,রমণীরা ক্ষুধার জবাব পরিপাক করতে উনুনে যাকে ভাঁজেমৌ…
-
পথ / মুসা আল হাফিজ
পথ বা জীবন নয়, যেন মত্তরণ চলছি ভেঙ্গে-গড়ে! এগারোটি পথমুখে প্রাচীর দেখেঅবশেষে এটাই ছিলো দৃশ্যমান বিকল্পবাড়ি ফেরার। অদ্ভুত আলো-আঁধারি,অন্তহীন কোন সাগরের প্রশান্তি থেকে আলোআর কারো নির্লজ্জ ফুঁৎকার থেকে আসছে উল্লসিত আঁধারযেনো নিঃশব্দ সংঘর্ষের গর্জনে এখনি কেঁপে উঠবেমেঘের শহর। এখনি ভয়াবহ স্তব্ধতা খান খান হয়ে যাবেপাথর বর্ষণে। তারার তীর্যক দ্যুতি সংঘর্ষের অক্ষরে ভরে গেছেবাতাসের গাম্ভির্যে হাঁসফাঁস…
-
ট্রেন / মুসা আল হাফিজ
ট্রেন ছুটলাম গভীর রাতে রহস্যের সুর তুলেগন্ধবহ উদ্দাম ঝড়ে নির্জনতা মাঠে মাঠে ছড়ানো ভাঙা ডিমের মতোমানবমহাবনে মাতৃক্রোড়ের মতো লুটিয়ে পড়লো কাল মহাকালহাটাচলা করে প্রশান্ত মেঘের পাশে বসন্তের ভোরগলে যায় জ্যোৎস্নার ঘোড়া।অনুরাগ ঝরে মাতৃদুগ্ধ; দিগন্তের অধিকারে মুগ্ধপলিতেট্রেন ছুটছি সুগভীর, নিস্তব্ধ মোরাকাবার প্রগাঢ় শিহরণে ট্রেন ট্রেন! অ¤¬ান কোকিলের মনে রুমীর মত্ততা আরশীতার্ত বৃক্ষের গায়ে বৃষ্টিধারা ঢেলে অদৃশ্য…
-
লাশের অট্টহাসি / মুসা আল হাফিজ
বাতাসের শোরগোলে টেবিলের স্থিরদৃষ্টি রাস্তায় বেরিয়ে আসিদেখি রহস্যমানুষেরা এসে ভিড়েছে চৌরাস্তায় চায়ের দোকানেচায়ের কাপে বিদ্যুৎ আর জ্যোৎস্না। যেদিকেই চোখ যায়নরনারী অবিরত তারকার মতো প্রাগৌতিহাসিক চালেমার্চপাস্ট করছে শহরময়অতীত সরোবর থেকে তরল শীতলতা চারদিকে ছিটায়,গুড়োঁইটের মতো ছিন্নভিন্ন কষ্টেরা তাদের চোখে মুখে নিস্করুণনড়ে ওঠে। যেনো চাঁদের চামড়া ছিড়ে ঝরা রক্তে অদৃশ্যআগুন কেউ লাগিয়েছে। যারা চায়ের দোকানে বসেছিলো চা-ঘরে…