আমার যত গান

০১. নগরীর পথে পথে এখনো সে চাঁদ
০২. রাতটা যতো গভীর হবে
০৩. আমার সকল প্রেম তোমার জন্য যদি হয়
০৪. চলছে রাস্তা দুইপাশে তার রঙ-বেরঙের ঘর
০৫. এ কোন কিনারে দাঁড়ায়ে হারায়ে ফেলেছি আমার মন
০৬. যে কপাল মাঝ রাতে জায়নামাজে
০৭. তোমাকে দেখলে মাটি কেনো জানি মনে হয়
০৮. ও পাহাড়ি ঝর্ণা তুমি কার নামে গাও গান
০৯. আজো সেই চাদরখানি
১০. জমাট বাধা অন্ধকারে জ্বালাও তুমি যেই আলো
১১. তোর মুখ পোড়া ছাই
১২. একটা পাখি গান লেখে আর এক পাখি দেয় সুর
১৩. আজ শুধু অন্ধকারেই জোনাকি থমকে দাঁড়ায়
১৪. আঁধার রাতের ক্লান্ত দেহে উঠলো হেসে কে
১৫. রমজান এসেছে রমজান এসেছে
১৬. চোখের তারায় আটকে ছিলো একটা হলুদ পাতা
১৭. আমার এ মনটাকে শীতল করে দাও
১৮. অনেক অন্ধকারে নীভে যায় ক্রমেই সে আশার প্রদ্বীপ
১৯. পাখপাখালি সাগর নদী আমায় ডেকে বলে
২০. বাতাস চঞ্চল আকাশে মেঘদল
২১. যখন আর কেউ
২২. এখানে পাহাড় গলে
২৩. ভুলে যেতে দাও দাও প্রভু আমাকে
২৪. এমন করে তুই তাকাসনে মেঘ
২৫. আমি শুনেছি নিরবে বসে সমুদ্র কথকতা
২৬. যখনি আমরা মুক্তির কোনো উপায় খুঁজেছি
২৭. সত্য বলতে যদি নাই পারি
২৮. দরিয়ায় পাল তুলে দে, মাঝি তুই বৈঠা চালা
২৯. সাগরও তো শুকিয়ে যাবে একদিন
৩০. কালকে যখন আহত সূর্য উঠবে সকাল বেলা
৩১. ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক ঈদ
৩২. যেদিন আর এ আঁধার লাগবে না ভালো
৩৩. আমার আকাশ মেঘাচ্ছন্ন
৩৪. আকাশে কাজল মেঘ
৩৫. কেউ তোমাকে মেঘলা ভাবে
৩৬. অগোচরে মনে মনে
৩৭. তোমার আকাশে কেউ ডানা মেলে
৩৮. একটা ছোট্টো পাতার বাঁশি
৩৯. প্রজাপতি
৪০. কার ঘরেতে আগুন লাগে
৪১. উড়তে উড়তে একটা পাতা
৪২. যদি মেঘের সঙ্গে যাও
৪৩. শহরের ব্যালকোনিতে
৪৪. তোর সাথে সেই নৌ ভ্রমনের দায়
৪৫. তুমি ঘুমাও নিটোল জলে
৪৬. দরজা কেনো বন্ধ
৪৭. আমি তোমার তারিফ করতে করতে মরণ আমার চাই
৪৮. তুই আসমানে যা মন
৪৯. একটা গান বানাওনা কবি একটা গান
৫০. আর জোনাকি জ্বলবে না কখনো এ রাতে
৫১. এই রাত যদি আজ মেঘ জোছনার খুনসুটিতে মেতেই ওঠে
৫২. ছল ছল জল ভরা চোখ
৫৩. এই কুয়াশা ভেজা রাতে
৫৪. ঐ নীল নীল চোখে জোছনা
৫৫. অন্ধকার দূর আকাশ ছায়াপথ জুড়ে তারা
৫৬. কিছু কল্পনা যায় বেড়াতে দূর বনে
৫৭. চাইলেই এই রঙ
৫৮. যাচ্ছে আকাশ মেঘলা হয়ে
৫৯. বুড়ো কবুতর
৬০. এই হৃদয়ের নিপূণ সুতোয়
৬১. আমি তার শহর নগর বন্দর সব দখল করেছি
৬২. আমার সঙ্গে যাওয়ার মতো
৬৩. এ আকাশ খুলেই দেখো
৬৪. তোমার সঙ্গে রাত্রি-মধুর তারার আলাপ নেই
৬৫. আমার ধর্ষিতা মেঘ তুই
৬৬. এখানে কেউ নেই
৬৭. সখ করেছে বৃষ্টি হবি
৬৮. তোমার স্নিগ্ধতায় আমার ভালোবাসা
৬৯. একি অদ্ভুত ইশারা তোমার!
৭০. তুমি আমার চোখে আলো জ্বেলে
৭১. তুমি পণ্য হতে চাচ্ছো কেনো নারী
৭২ ঐ দূর পাহাড়দেশে
৭৩. নিঃশব্দে নিরবে
৭৪. এই শহুরে জীবন দেয়ালে
৭৫. তুমি ভুলেছো যে পথ
৭৬. আকাশকে ডেকে ডেকে বোলোনা মন
৭৭. বেশ তো বাতাস যাচ্ছো বয়ে
৭৮. চোখ কিছু বলে
৭৯. ঠিকানা জানিনা বন্ধু
৮০. পুড়ে যাওয়া কাগজের বুক
৮১. আমি গাইতে পারিনা
৮২. যদি কোনোদিন কোনো ভুল সময়ে
৮৩. আমি ভিন্ন তুমি ভিন্ন
৮৪. পাখিটা গান জানেনা
৮৫. ভাঙছে পাথর… পাথর কুচি
৮৬. ফুলের পাপড়ি ছড়িয়ে নয়
৮৭. কি কথা কও গো প্রিয়
৮৮. বিমূর্ত সুখে তার মজেছে আঁধার
৮৯. খুঁজিনি কারণ
৯০. সরকার হৃদয়ের দরজা খোলেনা
৯১. ছায়াতনু মায়াছলে টলমল টলমল
৯২. লাগে অন্যরকম এ শহর
৯৩. অল্প কিছু গল্প নিয়ে
৯৪. মন মজেছে শিশির নীরে
৯৫. কবুতর, ডানা ঝাপটে এসে বসলে আমার কাব্য দেয়ালে
৯৬. নখর বিহীন ঈগল
৯৭. জানালায় দুটো চোখ
৯৮. মাটির ঘরে চান্দের আলো
৯৯. কণ্ঠ কি গেতে পারে গান
১০০. আমার আঙিনা জুড়ে ফোটে কত ফুল
১০১. Do you know who ALLAH
১০২. Allah you all know-er
১০৩. সত্যকে যারা চাপা দিতে চায়
১০৪. চাইনি গোলাপ পাপড়ি খুলে জাগবে এমন লালে
১০৫. এই আলোছায়ার সন্ধ্যাবেলায়
১০৬. মেঘলা আকাশ
১০৭. আহলান সাহলান
১০৮. আহত বাতাস
১০৯. তুমি আমি যদি আরো কিছু পথ একা
১১০. আজ কোকিলের মন খারাপ
১১১. শহর বাড়ি
১১২. জানালায় জানালায় হাতছানি তার
১১৩. কারো মন অকারণ
১১৪. কথা ছিলো মেঘ বেলা ফুরালেই
১১৫. আলো আর আঁধারে ঘিরেছে চারপাশ
১১৬. মেঘমায়া তার চোখে
১১৭. কখনো এমন যদি হয়
১১৮. কোন আলোর পরশে তুমি
১১৯. আহা অবেলায়
১২০. প্রভু আমার এ চোখ তখনো যেনো জেগে থাকে
১২১. জীবনের সব রঙ মিশেছে শাদায়
১২২. লেগে আছে রক্তের দাগ
১২৩. জল পিপাশায় কাতর পাখি
১২৪. আলোর পথের যাত্রী শোনো 
১২৫. জোনাকি বন্ধু আমার
১২৬. দেখছি কেবল অন্ধকারে যাচ্ছে ডুবে আমার সময়
১২৭. গাছের পাতারা জপে তাসবি তোমার
১২৮. ভালো থাক মন
১২৯. মাঝে মাঝে মনে হয় পাপের পাহাড় ঠেলে
১৩০. হারাম খাবার খাওনা তুমি গর্ব করে বলো
১৩১. লক্ষ তারা চাঁদের আলো রাতের কালো দূর করে
১৩২. কালের স্রোতে নাও ভাসাতে চায় যদি বা মন
১৩৩. নিজেকে বিকিয়ে যারা কেনে জান্নাত
১৩৪. শহরের সবথেকে উঁচু বাড়িটায়
১৩৫. মাঝে মাঝে ব্যথা হয়
১৩৬. জোনাকি শোন
১৩৭. হয়তো বা কোনো এক সকালে
১৩৮. জানো কি রাতের কথা
১৩৯. কোনো এক ঘুম ঘুম সকালে
১৪০. এলোমেলো বাতাসে মন এদিক সেদিক ধায়
১৪১. ছিলে পথের প্রান্তে দাঁড়িয়ে
১৪২. তবু আলো এসে যায়
১৪৩. অত ভালোবেসোনা আমাকে
১৪৪. ঝুম ঝুম ঝুম, ঝুম ঝুম ঝুম
১৪৫. ভীড় করেছে কবুতরে
১৪৬. আকাশে একদল মেঘ উড়ে যায়
১৪৭. তোমার কিসে ভয়
১৪৮. দিনের আলোয় রাত করি পান রাতের কালোয় দিন
১৪৯. নদীর তীরের খবর তুই রাখলি না মন
১৫০. এখানে তোমার বুনো কবিতার ছন্দ তুলেছে ঢেউ
১৫১. এই বৃষ্টি মুখর ভোর
১৫২. মাতাল হাওয়া আসলে ছুঁয়ে কোন সে আতরদানি
১৫৩. তুমি ফিরে যাও পাখি ফিরে যাও
১৫৪. সাজানো বাগানে শুধু আসবে ভ্রমর
১৫৫. এই ঘোলাটে ভোর, ভেজা শহর, গরম হাওয়া
১৫৬. সেই রাতে মিটিমিটি
১৫৭. পথ চলতে
১৫৮. তোমার আলোয় যদি চোখ পুড়ে যায়
১৫৯. আমার পায়রা হওয়ার সখ যে বড় তা না
১৬০. খোলামেলা এই ভেজা স্বপ্নেই বিভোর হয়েছে দিন
১৬১. কিছু ভিন্ন ভিন্ন সুর
১৬২. সাহসী মানুষের কাতারে রেখো প্রভূ
১৬৩. কি সুখের সন্ধানে সন্ধানী মন
১৬৪. যদি পথ চলতে ভয় হয় ভয়
১৬৫. পাপড়ি খুলে কে জাগছে দেখোতো
১৬৬. ডানা ভেঙে দাও তবুও উড়বো
১৬৭. কেবল ধ্বংশ হয়ে যাওয়াই সত্য নয়
১৬৮. বহুদিন পর আজ
১৬৯. আমি তো মাটির কাছাকাছিই ছিলাম
১৭০. এলো রমজান এলো বৃষ্টি নিয়ে
১৭১. এই ছেড়া পালে বাতাস লাগে না
১৭২. তুমি অবাক চোখে প্রশ্ন করো
১৭৩. তোর খোলা চুলে ঝুলে যাওয়া বিকাল
১৭৪. খস্ খস্ জুতো ক্ষয়ে যাচ্ছে
১৭৫. আসবে তুমুল ঝড়
১৭৬. জানিনা গায়েব
১৭৭. কেনো আজ এই চাঁদ
১৭৮. সত্যের সন্ধানে ছুটে চলে যে
১৭৯. আঁধারে খুঁজতে ছায়া
১৮০. ফেরি করে সুখ কিনেছি অসুক
১৮১. অনাবিল ভালোবাসা ঘিরে ছিলো তাই
১৮২. পাখিটার পালকের রঙ ছিল লাল
১৮৩. বুকের পরে রাখলে মাথা
১৮৪. মেঘের মধ্যে আমার বাড়ি

কঠিন দাবাড়ু আমি / সাইফ আলি

সিধেল চোরের মতো গায়ে মেখে সরিষার তেল
দিনে কিবা রাতঘুমে অচেতন নগরির পথ
চুপিসারে পার হয়ে যাবো।

আমাকে প্রশ্ন করে বিব্রত হতে চাও যদি
চলে এসো পাশাপাশি হাটি
খুব পরিপাটি আর গোছানো কথার জালে
তুমি হবে অসহায় মাছের মতোই।

কঠিন দাবাড়ু আমি যেনোতেনো চালে
আটকে ফেলতে পারো আছো কেউ?
যদি থাকো তার হাতে খুশি মনে ধরা দেবো এসো
তবু তুমি একবার আদর্শ হয়ে থেকো আমার দু’চোখে।

01.07.19

বুদ্ধিজীবী / সাইফ আলি

বললে তুমি সহজ ভাষায় ছাড়বে সবই বুঝিয়ে
মন কিছুটা আশ পেলো
সস্তির নিঃশ্বাস পেলো
মনঃযোগী ছাত্র হলাম ঘাড়-মাথা-মুখ গুঁজিয়ে।

কিন্তু তোমার ব্যাখ্যা শেষে- জাগলো মনে খটকা,
পাড়লো মোরগ আন্ডা!
সূর্যটা খুব ঠান্ডা!
বাপ মরেছে সেই খুশিতে পোলায় ফোটায় পটকা!

বললে তুমি, ঠিক আছে;
ভীষণ স্বাভাবিক আছে
আমজনতার মনটা!
আচ্ছা তুমি কোনটা?
সত্যিকারের পাগল নাকি ভান ধরেছো বলবে?
বুদ্ধিজীবী শব্দটা কি গালির মতোই চলবে?

থ্যালাসেমিয়া কি?

Untitled-1থ্যালাসেমিয়া (ইংরেজি: Thalassemia) একটি বংশগত রক্তের রোগ। এই রোগে রক্তে অক্সিজেন পরিবহনকারী হিমোগ্লোবিন কণার উৎপাদনে ত্রুটি হয়। থ্যালাসেমিয়া ধারণকারী মানুষ সাধারণত রক্তে অক্সিজেনস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়াতে ভুগে থাকেন। অ্যানিমিয়ার ফলে অবসাদগ্রস্ততা থেকে শুরু করে অঙ্গহানি ঘটতে পারে। থ্যালাসেমিয়া দুইটি প্রধান ধরনের হতে পারে: আলফা থ্যালাসেমিয়া ও বেটা থ্যালাসেমিয়া। সাধারণভাবে আলফা থ্যালাসেমিয়া বেটা থ্যালাসেমিয়া থেকে কম তীব্র। আলফা থ্যালাসেমিয়াবিশিষ্ট ব্যক্তির ক্ষেত্রে রোগের উপসর্গ মৃদু বা মাঝারি প্রকৃতির হয়। অন্যদিকে বেটা থ্যালাসেমিয়ার ক্ষেত্রে রোগের তীব্রতা বা প্রকোপ অনেক বেশি; এক-দুই বছরের শিশুর ক্ষেত্রে ঠিকমত চিকিৎসা না করলে এটি শিশুর মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

বিশ্বে বেটা থ্যালাসেমিয়ার চেয়ে আলফা থ্যালাসেমিয়ার প্রাদুর্ভাব বেশি। আলফা থ্যালাসেমিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও চীনের সর্বত্র এবং কখনও কখনও ভূমধ্যসাগরীয় ও মধ্যপ্রাচ্যের লোকদের মধ্যে দেখতে পাওয়া যায়। প্রতিবছর বিশ্বে প্রায় ১ লক্ষ শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করে।

এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ঢাকা শিশু হাসপাতাল থ্যালাসিমিয়া সেন্টার কতৃক প্রকাশিত ‘থ্যালাসিমিয়া কি?’ বইটি পড়তে পারেন। বইটির pdf পেতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন-

থ্যালাসিমিয়া কি?

আমি গাইতে পারিনা / সাইফ আলি

আমি গাইতে পারিনা
তবু গুনগুন করে গাই
তুই রাখনা ঢেকে ঐ
তোর চাঁদটা মেঘপাড়ায়।

তোর আচল জোছনা
দোলে দখিনা হাওয়ায়-
আর চুলের আঁধারে
আমি হারাই নিরুপায়।

তোর পর্দা দোলানো
চোখ মায়ার জাদুকর
আমি ক্ষুধার্ত হাঙর
ভাসি আবার ডুবে যাই।

পুড়ে যাওয়া কাগজের বুক / সাইফ আলি

পুড়ে যাওয়া কাগজের বুক
আর লাল টুক টুক এ অসুখ গোলাপের
ভাবনার ও চাদর জড়িয়ে গায়ে
নাটকটা জমে ওঠা পুতুলের; আহা ফের!

পুতুল নাচের চেনা ইতিহাস
আজো এখানে পাচ্ছে বাতাস
আজো আকাশ দখলে কালো মেঘেদের।

সবাই সবার, কেউ কারো নয়
কপাল ঠুকে মাপছে সময়
সময়ের লেজ খসে যায়, তারে পায় কে?
পুড়ে যাওয়া কাগজের বুকে কিছু লেখা;
খুঁজে পড়ে নে।

ঘুম ঘুম ঘুম চোখে ঘুম
চারিদিকে রাত নিঝঝুম
খোকার কপাল খালি পড়ে রয়
তার দুচোখে কেনো সংশয়
কেনোরে চাঁদ চুমু রেখে যাস আধাঁরের।