বিচ্ছিন্ন পায়ের জন্য স্বান্তনা / সাইফ আলি

কবি আঙ্গুল উঁচিয়ে চিৎকার করলেন-
‘শুয়োরের বাচ্চা…’
একপাল শুয়োর চমকে উঠে তাকিয়ে থাকলো ফ্যাল ফ্যাল করে-
তাদের চোখে একটাই প্রশ্ন, আমাদের অপরাধ?

কবি নিজেকে শুধরে নিয়ে আবারো বলে উঠলেন-
‘কুত্তার…’
নিরিহ কুত্তাটা ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকলো- আমার অপরাধ?
কবি ফের নিজেকে সংশোধন করলেন।

কোনো জানোয়ারের সমকক্ষে রাখা সম্ভব হলোনা তাদের;
থাক, তারা মানুষের বাচ্চাই থাক-
বিবেক বোধ বর্জিত মানুষের চাইতে নিচে নামতে পারে
এমন কোনো জানোয়ারের বিচরণ নেই পৃথিবীতে।

*সম্প্রতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটে যাওয়া অমানবিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদে

বিচ্ছেদ-০১ / সাইফ আলি

তুমি কি কেবল অবসরটুকু নিলে
কাজের ফাঁকেও সর্বদা তুমি ছিলে,
তুমি কি কেবল প্রেমেই বানাবে ঘর
তোমাকে চেয়েছে ব্যথাতুর অন্তর।

শত কষ্টের উপশম এনেছিলে
এক জীবনের পূর্ণতা এনেছিলে।