-
হালুম / সাইফ আলি
হালুম রাজা হওয়ার পর থেকে বনের মধ্যে অস্থিরতা বিরাজ করছে। কেউ শান্তিতে ঘুরতে পারছে না। ভয়ে গোটা বন কেমন যেনো চুপসে আছে। হালুমের বাবা রাজা থাকতে অন্যরকম ছিলো। দিনে একটা শিকার করে শান্ত থাকতো। বাঘের পেট তো আর ঘাস দিয়ে ভরবে না, তার জন্য খাবার তো হতেই হবে কাউকে। কিন্তু হালুম রাজা হওয়ার পর থেকে…
-
-
-
-
-
-
-
-
উৎসর্গ : এই কবিতা পাখির জন্য / সাইফ আলি
খসে পড়া পালকের পিঠে ধুলো নয়, লেগে থাকে স্বাধীনতার সুঘ্রাণ বাতাসে দোলাও তাকে জীবনের কোলাহল পাবে।
-
-
-
পথ হারানোর প্রশ্নই আসেনা / সাইফ আলি
হাতের বাধনগুলোতে শর্ত আরোপ করতে পারো মনের বাধনগুলোতে নয় যদি ভয় পাও সংশয় থাকে সরে দাঁড়াও- পাখিদের চোখের একটা ভাষা থাকে তোমরা তাকে পড়তে শেখোনি পাখিদের ডানার একটা ভাষা থাকে যা তোমাদের আয়ত্বের বাইরে নিজেদের শেয়ালের মতো চতুর ভেবে খুশি থাকা তোমাদের মানায় আমাদের চোখে কেবল রাতের অন্ধকারে গা ঢাকা দেওয়া ঐ ভিতু প্রাণিটি ছাড়া…
-
-
-
বিচ্ছিন্ন পায়ের জন্য স্বান্তনা / সাইফ আলি
কবি আঙ্গুল উঁচিয়ে চিৎকার করলেন- ‘শুয়োরের বাচ্চা…’ একপাল শুয়োর চমকে উঠে তাকিয়ে থাকলো ফ্যাল ফ্যাল করে- তাদের চোখে একটাই প্রশ্ন, আমাদের অপরাধ? কবি নিজেকে শুধরে নিয়ে আবারো বলে উঠলেন- ‘কুত্তার…’ নিরিহ কুত্তাটা ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকলো- আমার অপরাধ? কবি ফের নিজেকে সংশোধন করলেন। কোনো জানোয়ারের সমকক্ষে রাখা সম্ভব হলোনা তাদের; থাক, তারা মানুষের বাচ্চাই…
-
-
-
-
মন মজেছে শিশির নীরে / সাইফ আলি
মন মজেছে শিশির নীরে তাই ভীরু পায়ে এলো তিমিরে ফেরারী হয়েছে বাসনা, প্রেমের পত্র হাতে ওগো হাওয়া এ বনে কেনো আসোনা… চাটুকার এ আঁধার স্বপ্নীল সওয়ারি হয়ে ছুঁয়ে দেয় চাঁদ জোছনা আনে নামিয়ে তবু বনে মর্মর ব্যথাদের ব্যাঞ্জনা… প্রেমের পত্র হাতে ওগো হাওয়া এ বনে কেনো আসোনা… এলোমেলো ডাল নীল আকাশের বুকে আল্পনা এঁকেছে দেখো…
-
অল্প কিছু গল্প নিয়ে / সাইফ আলি
অল্প কিছু গল্প নিয়ে জোনাকিটা জ্বলেছিলো সারারাত ঝাওবন মেতেছিলো চাঁদের আলোয় বাতাসেরা গেয়েছিলো কিছু গান আর ছিলো ব্যথাতুর নীলাভ প্রেমের ফেলে আসা কতগুলো পিছুটান।। পিছুটান ছিলো তার মেহেদী হাতের বিচলিত মেঘ টানা কাজল চোখের বেখেয়ালে সরে যাওয়া কপালের টিপ পিছুটান ছিলো তার কল্পলোকের।। তবু সব পিছুটান ভুলে চলে যেতে হয় আর তাকে বলা হয় প্রস্থান……