• অনুকবিতা ২৩ / সাইফ আলি

    এমন করে পার হওয়া যায় নদীএমন করে লাশের পিঠে চড়ে;সাবধানে খুব নাড়ীর খবর রাখিসমাঝ নদীতে উঠলে হঠাৎ নড়ে? 08.07.19


  • কঠিন দাবাড়ু আমি / সাইফ আলি

    সিধেল চোরের মতো গায়ে মেখে সরিষার তেলদিনে কিবা রাতঘুমে অচেতন নগরির পথচুপিসারে পার হয়ে যাবো। আমাকে প্রশ্ন করে বিব্রত হতে চাও যদিচলে এসো পাশাপাশি হাটিখুব পরিপাটি আর গোছানো কথার জালেতুমি হবে অসহায় মাছের মতোই। কঠিন দাবাড়ু আমি যেনোতেনো চালেআটকে ফেলতে পারো আছো কেউ?যদি থাকো তার হাতে খুশি মনে ধরা দেবো এসোতবু তুমি একবার আদর্শ হয়ে…


  • ভণ্ড রাজার সেপাই / সাইফ আলি

    ভয় দেখাবে? দেখাওতোমার নাকি ভয় দেখানোর সখ,কিন্তু তোমার কোমরটা খুব সরুঅনেকটা ঠিক বানর বানর ঢক। দাঁত কেলিয়ে ভেঙচি কেটে ভয়?তা কি আবার হয় 🙂তার চেয়ে ঐ পান খাওয়া দাঁত কামারশালায় বসেগরম করে ঘষেএকটু যদি ধার করাতে পারোভয় পাবো ঠিক, তা না হলে ছাড়ো। আচ্ছা, এসব বুলেট-গুলির ভয়েগা ঢাকা দেয় কারা?আজরাঈলের সঙ্গে বুঝি সওদা করে তারাদু’দিন হায়াৎ…


  • তবুও ভীষণ পাচ্ছে আমার ঘুম / সাইফ আলি

    হেমন্তের ঐ শিশিরভেজা ঘাসের উপর কালফোটায় ফোটায় রক্ত অমন লালকার ছিলো গো বলতে পারো কার ছিলো ঐ চোখ?চোখের উপড় উপুড় হয়ে ঘুমিয়ে ছিলো শোক!! আসন্ন এই শীতের হাওয়া লাগছে যখন গায়ঠিক তখনই চায়ের কাপে উঠলো এ কোন ঝড়!ঝড়ের চোটে যায় না কিছু দেখাকার কপালে কয়টা বুলেট লেখা। তবুও ভীষণ পাচ্ছে আমার ঘুমলেপের নিচেয় কাটুক এ…


  • বললো রাজা হেসে / সাইফ আলি

    বললো রাজা হেসে-‘ভিন্নমতের চিহ্ন যেনো না থাকে এই দেশে-’ঝাপিয়ে পড়ে রাজসেনারা ভিন্নমতের খোঁজেতাই দেখে কেউ ঠোস পরে কেউ সাবধানে ঘাড় গোঁজে,কিন্তু কিছু আগ্নেগীরির বেরিয়ে আসা লাভায়ভয় ঢুকে যায় রাজার বুকে, ভীষণ করম ভাবায়।ভাবনা শেষে চেঁচিয়ে বলে- ‘বন্ধ করো মুখ-’বন্ধ হলেই শান্তি রাজার, বন্ধ হলেই সুখ। 08.10.19


  • খাওয়ার দিকেই ঝোঁক / সাইফ আলি

    শোনো বাবা তুমি চাও যদি ছেলে টাকার কুমির হোকগিলে তো খাবেই সবকিছু তার খাওয়ার দিকেই ঝোঁক,‘অমকের ছেলে সোনার হরিণ দু’দিনেই কোটিপতি!’তুমি বুঝলেনা কি পথ দেখালে, কতটুকু লাভ-ক্ষতি। বিরাট মেধাবী ছেলেটা তোমার বন্ধু চেনেনা কোনোসাতে পাঁচে নেই তোমার ছেলেই সন্ত্রাসী হবে শোনো,সন্ত্রাসী মানে কুপাকুপি নয় টাকার পিছনে ছুটেযারা খায় আজ দেশ ও জাতির সম্পদ লুটেপুটে। লেখাপড়া…


  • শহীদের খুণ ঠেলে দেয় সম্মুখে / সাইফ আলি

    যে কথা বলতে প্রাণ দিলো আবরারসে কথা ফুটুক জনতার মুখে মুখেখুণিরা জানুক মৃত্যু আনে না ভয়শহীদের খুণ ঠেলে দেয় সম্মুখে।। 07.10.19


  • কবি ও কবিতা / সাইফ আলি

    আমার সঙ্গে কিছু শব্দের মেলামেশা ছিলোযখন তখন তারা ঢুকে যেতো মনের গভীরেএ বিষয়ে অভিযোগ সবথেকে বেশি ছিলো যারসে আমার প্রিয়তমা চেয়েছিলো পুরো অধিকার। অথচ কবির মন ফেড়ে কবে কোন ডাক্তারপেয়েছে কেবল নারী, গাড়ি, বাড়ি আর সংসার?শব্দের আনাগোনা কবির শ্বাসের মতো,প্রিয়তমা সেও এক রূপ কবিতার। 04.10.19


  • চতুর বেনের দল তোমাকে বেঁচতে চায় / সাইফ আলি

    নারী তুমি কোনোখানে নিরাপদ নওতোমার শরীর বেঁচে রাতের শরাব কেনে পুজিপতি শেয়ালের দলশিল্পীরা চড়া দামে তোমাকে বেঁচেই খায়কবি হয় নন্দিত তোমার শরীর এঁকে নানা উপমায়।নারী তুমি জরায়ুর মালিকানা নিয়েশামুকের মতো কেনো নিজেকে গুটাও?কখনো প্রেমিকা তুমি কখনো বা মা!চতুর বেনের দল তোমাকে বেঁচতে চায় তুমি বোঝো না? 03.10.19


  • খুকুমণি জানো / সাইফ আলি

    খুকুমণি জানো চাঁদ কতো দূরে কতো দূরে তারা কতদূর থেকে তারা করছে ইশারা? কতদূরে আসমান কতদূর গেলে এই মহাবিশ্বের সীমারেখা মেলে? খুকুমণি চিন্তার সীমানা কি জানো? ভাবো দেখি পাখিদের ডানা ঝাপটানো কিংবা ফুলের ঘ্রাণ, মাছের সাঁতার! কতোটুকু পরিচয় দিলো স্রষ্টার? খুকু সেই স্রষ্টার প্রিয় হতে চাও? তবে তাঁর আলো দিয়ে নিজেকে সাজাও। 30.06.19


  • নারী তুমি কোনোখানে নিরাপদ নও / সাইফ আলি

    নারী তুমি কোনোখানে নিরাপদ নও তোমার শরীর বেঁচে রাতের শরাব কেনে পুজিপতি শেয়ালের দল শিল্পীরা চড়া দামে তোমাকে বেঁচেই খায় কবি হয় নন্দিত তোমার শরীর এঁকে নানা উপমায়। নারী তুমি জরায়ুর মালিকানা নিয়ে শামুকের মতো কেনো নিজেকে গুটাও? কখনো প্রেমিকা তুমি কখনো বা মা! চতুর বেনের দল তোমাকে বেঁচতে চায় তুমি বোঝো না? ০৩.১০.১৯


  • কবি ও কবিতা / সাইফ আলি

    আমার সঙ্গে কিছু শব্দের মেলামেশা ছিলো যখন তখন তারা ঢুকে যেতো মনের গভীরে এ বিষয়ে অভিযোগ সবথেকে বেশি ছিলো যার সে আমার প্রিয়তমা চেয়েছিলো পুরো অধিকার। অথচ কবির মন ফেড়ে কবে কোন ডাক্তার পেয়েছে কেবল নারী, গাড়ি, বাড়ি আর সংসার? শব্দের আনাগোনা কবির শ্বাসের মতো, প্রিয়তমা সেও এক রূপ কবিতার। ০৪.১০.১৯


  • দিলখোলা বাঙালি / সাইফ আলি

    গ্যাস দিছি পানি দিছি, খালি হাতে আইছি? পাই বা না পাই কিছু পদক তো পাইছি। এতো রাগ করিস ক্যা দাদা কিছু দিলো না! বাঙালিরা কোনোদিন এরকম ছিলো না। বাঙালিরা দিলখোলা ঘর বেঁচে বর চায়, ঠাকুরের চেহারাটা দ্যাখ বিনা খরচায়। 06.10.19


  • যে কথা বলতে / সাইফ আলি

    যে কথা বলতে প্রাণ দিলো আবরার সে কথা ফুটুক জনতার মুখে মুখে খুণিরা জানুক মৃত্যু আনে না ভয় শহীদের খুণ ঠেলে দেয় সম্মুখে।। 07.10.19


  • খাওয়ার দিকেই ঝোক / সাইফ আলি

    শোনো বাবা তুমি চাও যদি ছেলে টাকার কুমির হোক গিলে তো খাবেই সবকিছু তার খাওয়ার দিকেই ঝোক, ‘অমকের ছেলে সোনার হরিণ দু’দিনেই কোটিপতি!’ তুমি বুঝলেনা কি পথ দেখালে, কতটুকু লাভ-ক্ষতি। বিরাট মেধাবী ছেলেটা তোমার বন্ধু চেনেনা কোনো সাতে পাঁচে নেই তোমার ছেলেই সন্ত্রাসী হবে শোনো, সন্ত্রাসী মানে কুপাকুপি নয় টাকার পিছনে ছুটে যারা খায় আজ…


  • বললো রাজা হেসে / সাইফ আলি

    বললো রাজা হেসে- ‘ভিন্নমতের চিহ্ন যেনো না থাকে এই দেশে-’ ঝাপিয়ে পড়ে রাজসেনারা ভিন্নমতের খোঁজে তাই দেখে কেউ ঠোস পরে কেউ সাবধানে ঘাড় গোঁজে, কিন্তু কিছু আগ্নেগীরির বেরিয়ে আসা লাভায় ভয় ঢুকে যায় রাজার বুকে, ভীষণ করম ভাবায়। ভাবনা শেষে চেঁচিয়ে বলে- ‘বন্ধ করো মুখ-’ বন্ধ হলেই শান্তি রাজার, বন্ধ হলেই সুখ। 08.10.19


  • তোমাকেই সম্মুখে চাই / সাইফ আলি

    রাত্রি গভীর হয়, জ্বলে ওঠে দৃষ্টি তোমার হৃদয়ে নূরের জ্যোতি, সেজদায় অবনত মাথা তোমাকে পূর্ণ করে; তুমি হও জান্নাতি পাখি! আহা কি আলোয় ভরা কলবের অধিকারী তুমি! দ্বীনের মিছিলে আমি তোমাকেই সম্মুখে চাই তুমি কি মিছিল নিয়ে নামবে না শহরে আমার? 28.04.19


  • অনুকবিতা ২২ / সাইফ আলি

    এই কবিতা লেখবো খুবই সহজ করে যেমন তোমার দৃষ্টি সহজ জলের মতো কিন্তু একি অথৈ সাগর তোমার চোখে আমি কি আর বীর ডুবুরি সিন্ধুজয়ী! দোহায় তোমার দৃষ্টি হটাও লাস্যময়ী। 23.03.19


  • এই নদীটা / সাইফ আলি

    এই নদীটা শুকিয়ে যাওয়ার আগেফুসতো ভীষণ রাগেরাগ করা কি ভালো?তাই দিয়েছি হাত পা বেঁধেশান্তি প্রদীপ জ্বালো! এই নদীটা ভীষণ জেদি জানোভাঙা গড়ার নষ্ট খেলায় মাতেতাই দিয়েছি হাত পা বেঁধে শান্ত থাকে যাতে। এই নদীটা শান্ত এখন খুবইঘুমিয়ে থাকে ঠিক আমাদের মতোঘর ভাঙেনা কারোআরোবুক জুড়ে তার সোনার ফসল ফলেতবুও লোকে বলে-ইস্ সে যদি আগের নদী হতো! 21.03.19


  • আমারে হারায়ে দ্যায় / সাইফ আলি

    আমারে হারায়ে দ্যায় রকমারি রাতের সোহাগআমারে হারায়ে দ্যায় মৃত কাক গলির ভিতরগলে যাওয়া ডানা অচেনা পথের বাঁকে পড়ে থাকা বেওয়ারিশ সুখঅযাচিত মুখহাসি এবং তুখোড় চালে ভেঙে যাওয়া দাবার দোকান।আমারে হারায়ে দ্যায় কেউযারে আমি দেখি নাই কোনোদিনখোদার কসম যারে আমি ভাবিনাই কোনোদিন কোনো অযুহাতে।তবুও সে আসে আমারে হারায়ে দিতে আসেবার বার হেরে গিয়ে নির্বোধ আমি যেই হাসিসে বলে- তোমারে আমি…