-
মার্চের ছড়া / আলি মেসবাহ
এই মার্চের গল্প বলি শোনো- মার্চ মানে তো ভয় পাওয়া নয় কোনো মুক্ত পাখি, বাঁচতে শেখা, বাঁচা মার্চ মানে তো ভাঙতে হবে খাঁচা। এই মার্চে রক্ত শপথ নিয়ে লাল-সবুজের নিশান তুলে দিয়ে এক হলো সব বীর জনতা বীর এই মার্চে ডাক এলো মুক্তির। এই মার্চে শত্রু হানা দিলো বীর বাঙালি অস্ত্র তুলে নিলো বুক পকেটে…
-
ছড়া / আলি মেসবাহ
ইনিয়ে ও বিনিয়ে বোঝালেন তিনি এ- রামপাল প্রকল্প আমাদেরই জন্য !! (সুন্দরবন ইস্যু অতিই নগন্য ?) ইনিয়ে ও বিনিয়ে বোঝালেন যিনি এ হা হা বলে দাও তাকে, বুঝেছি যথেষ্ট (বুঝি এই ভূমিকার, তুমি কার কেষ্ট।)
-
সুন্দরবনটাকে বাঁচাতেই হবে যে / আলি মেসবাহ
:খুব বেশি বকছিস দু’দিনের ছোকরা, দেখিস না চুপ করে আছে সব লোকরা; বলবি তো ভালো কথা, বল কিছু কম বা- জানিস তো, আমাদের হাত কতো লম্বা… :কার হাত কতো বড় অতশত ভাবি না, আমাদের দাবি তো অযৌক্তিক দাবি না; মুখ খুললেই তাতে বেধে যাবে যুদ্ধ অথবা হবেই সব শুদ্ধ অশুদ্ধ? বরঞ্চ তোমাদেরই নেই কোনো যুক্তি…
-
না, কোনো আপোষ নয় / আলি মেসবাহ
মুখ বুঁজে সয়ে যাবো? না না-কোনো ছাড় নেই; সুন্দরবনে আর কারো অধিকার নেই। এই বন আমাদের ভালোবাসা, আত্মা এক্ষুনি ফিরে যাও বিদেশি প্রেতাত্মা। ভেবেছ কি ? এ দেশের জনগণ অন্ধ ? মেনে নেবো যতো সব মিথ্যে প্রবন্ধ ? স্ট্রেইট কাট শোনো, কারো কানাকানি না রামপাল প্রকল্প মানি না.. মানি না…। অন্যের ঘাড়ে নুন রেখে আর…
-
কেউ কারো নয় / আলি মেসবাহ
দুঃখ কোথায় রাখি ! নিজের ঘরে নিজেই যেন বন্দী খাঁচার পাখি আপন ভাবি কারে ? মুখোশ পরা মুখগুলো সব দেখছি বারে বারে নানান ছলে বলে- এক এক করে সবাই গ্যাছে স্বার্থপরের দলে কেউ কারো নয়, আহা ! ‘সবার তরে সবাই’ এসব মিথ্যা কথা ডাহা।
-
দুই দশ আট / আলি মেসবাহ
যেদিকেই যাই যেখানে হারাই থাকে সেই ডাকে সেই চেনা পথ-ঘাট। হাতছানি দিয়ে ডাকে দুই-দশ-আট। খোলা থাক খুলে রাখ স্মৃতির কপাট। চেতনায় ভাস্বর দুই-দশ-আট। ২৮.১০.১৬
-
পাখির মতো মন / আলি মেসবাহ
মনটা আমার এমন কেনো? পাখির মতো উড়ু উড়ু , যখন তখন যায় সে উড়ে দেশ হতে কোন দেশান্তরে,বন-বনানী, তের নদী আরো যে সাত সমুদ্দুরে ! মনটা আমার এমন কেনো, বলতে পারো? কচি ধানের চারার মতো সবুজ সবুজ- হাত ছোঁয়ালেই শিশির কণা দেয় ভরিয়ে মন কি কচি ঘাসের ঢগার মতোই অবুঝ? মনটা আমার এমন কেনো, কেউ…
-
খোদার ইশারায় / আলি মেসবাহ
এইযে সবুজ ঘাসের চাদর মা’য়ের কোলে- শিশুর আদর পাখির কুহু তান, খোদার সেরা দান।। দূর আকাশে চাঁদ যে হাসে ফুল ভরিয়ে- দেয় সুবাসে যার হুকুমে তিনি, রাব্বুল আলামিনই।। নিত্য প্রাতে সূর্য ওঠে সাগর পানে- নদী ছোটে পথ হারিয়ে যায়, খোদার ইশারায়।।
-
লাশ লাগে লাশ? / আলি মেসবাহ
লাশ লাগে লাশ? বলো চাই কতো- আরো চাই? আরো আছে লাশ শত শত… সাদা লাশ কালো লাশ মন্দ ও ভালো লাশ নামী লাশ দামী লাশ স্বাধীনতাকামী লাশ সস্তায় কেনা লাশ বেওয়ারিশ, চেনা লাশ লাশ আছে ঢের… এই পথে যায় রোজ মিছিল লাশের । কনক্রিটে চাপা লাশ আর ফুলে ফাঁপা লাশ ঠিকঠাক পোড়া লাশ পলিপ্যাকে মোড়া…
-
গোলমেলে / আলি মেসবাহ
বলবো কি ভাই- হিসেব নিকেশ করে ফলটা যা পাই গোলমেলে তাই… যেই দ্যাখে তাক করা মিডিয়া ও ক্যামরা চেতনার ঢিল ছোঁড়ে কতিপয় গ্যাঙরা তারপরে রাত- আসলে হঠাৎ নিরবে হাজার তনু হয় কুপোকাত তাহাদেরই হাতে; কখনো কি সে খবর আসে মিডিয়াতে? আসবে না ভাই, আমরাতো ঘুঘু দেখি, ফাঁদ দেখি নাই।
-
মাতাল / আলি মেসবাহ
মাঝরাতে মদ খেয়ে মাতালে আকাশের চাঁদ দ্যাখে পাতালে, তারা দেখে বলে, সব ঘাসতো ফরেনের মাল-টাল খাসতো। তারপরে জড়িয়ে ল্যাম্পোস্ট গান গায়, তারে নারে নাইরে… এ্যাদ্দিন কই ছিলি ভাইরে? ল্যাম্পোস্ট দেয় নাতো উত্তর; রেগেমেগে বলে শেষে, দুত্তোর।
-
মামদো ভূতের ছড়া / আলি মেসবাহ
তানানা নানানা তানানা তুই মামদো ভূতের ছানা না ? তোর দিল্লিকা দাদা-নানা না ? তানানা নানানা তানানা তুই খাস কি, কচুরিপানা না? তোর শকুনের চোখ-ডানা না? তানানা নানানা তানানা আর লাল সবুজের পোস্টার মুখে অন্তরে লেখা না না না… তুই ভেবেছিস কারো জানা না…
-
ঘটনা চক্র / আলি মেসবাহ
কুত্তো দেখে ভয় পেয়ে এক বিল্লি দৌড়ে গিয়ে কল করেছে দিল্লি দিল্লি থেকে হুলো- ‘ও আচ্ছা, ইয়ে বাত হে ব্যাপার না এই গুলো।’ তারপরে কি সবারই তা জানা কুত্তো বিজি মোকদ্দমায় বিল্লি তা না না না।
-
ইনটালেকচুয়াল / আলি মেসবাহ
হ্যান করেছি ত্যান করেছি দেশ প্রেমের এক প্ল্যান করেছি পত্রিকাতে জব করেছি বলতে গেলে সব করেছি সদ্য কিছু গদ্য লিখে দশের কাছে নাম করেছি একটা ভালো পার্টি দেখে নিজের ভালো দাম করেছি।
-
কি কি খাওয়া যায়! / আলি মেসবাহ
শকুনীর ছা’য় লুটে পুটে খায়; খেয়েদেয়ে ভাবে ফের কি কি খাওয়া যায়! দিন খায় রাত খায় আরো কুল জাত খায় দুই হাতে ঘুষ খায় আস্ত মানুষ খায় পায় যার তার খায় মানবাধিকার খায় খেয়ে করে শেষ ছোট্ট এ দেশ। গপাগপ গদি খায় যত নদ-নদী খায় পথ-ঘাট সেতু খায় পেলে ধূমকেতু খায় গরিবের হক খায় খেয়ে…