Covers Available 03 / Saif Ali

 

 

Covers Available 02 / Saif Ali

ভণ্ড রাজার সেপাই / সাইফ আলি

ভয় দেখাবে? দেখাও
তোমার নাকি ভয় দেখানোর সখ,
কিন্তু তোমার কোমরটা খুব সরু
অনেকটা ঠিক বানর বানর ঢক।

দাঁত কেলিয়ে ভেঙচি কেটে ভয়?
তা কি আবার হয় 🙂
তার চেয়ে ঐ পান খাওয়া দাঁত কামারশালায় বসে
গরম করে ঘষে
একটু যদি ধার করাতে পারো
ভয় পাবো ঠিক, তা না হলে ছাড়ো।

আচ্ছা, এসব বুলেট-গুলির ভয়ে
গা ঢাকা দেয় কারা?
আজরাঈলের সঙ্গে বুঝি সওদা করে তারা
দু’দিন হায়াৎ বাড়িয়ে নিতেও পারে?
তা না হলে ভয় অযথা বেকুব ছাড়া কে পায়,
তোমার কথা বাদই রাখো;
তুমি তো এক ভণ্ড রাজার সেপাই।

28.10.19

তবুও ভীষণ পাচ্ছে আমার ঘুম / সাইফ আলি

হেমন্তের ঐ শিশিরভেজা ঘাসের উপর কাল
ফোটায় ফোটায় রক্ত অমন লাল
কার ছিলো গো বলতে পারো কার ছিলো ঐ চোখ?
চোখের উপড় উপুড় হয়ে ঘুমিয়ে ছিলো শোক!!

আসন্ন এই শীতের হাওয়া লাগছে যখন গায়
ঠিক তখনই চায়ের কাপে উঠলো এ কোন ঝড়!
ঝড়ের চোটে যায় না কিছু দেখা
কার কপালে কয়টা বুলেট লেখা।

তবুও ভীষণ পাচ্ছে আমার ঘুম
লেপের নিচেয় কাটুক এ মৌসুম।

26.10.19

ভীড় করেছে কবুতরে / সাইফ আলি

ভীড় করেছে কবুতরে
আয়না, বাতি বদ্ধ ঘরে;
একলা উঠোন ঝিমায় একা
তার উপরে বৃষ্টি ঝরে।।
ও কবুতর বাইরে বেরো
বৃাষ্টি জলে গা ধুয়ে নে
মরার ঘুমে মজিস পরে।
……………..

22.10.19

বললো রাজা হেসে / সাইফ আলি

বললো রাজা হেসে-
‘ভিন্নমতের চিহ্ন যেনো না থাকে এই দেশে-’
ঝাপিয়ে পড়ে রাজসেনারা ভিন্নমতের খোঁজে
তাই দেখে কেউ ঠোস পরে কেউ সাবধানে ঘাড় গোঁজে,
কিন্তু কিছু আগ্নেগীরির বেরিয়ে আসা লাভায়
ভয় ঢুকে যায় রাজার বুকে, ভীষণ করম ভাবায়।
ভাবনা শেষে চেঁচিয়ে বলে- ‘বন্ধ করো মুখ-’
বন্ধ হলেই শান্তি রাজার, বন্ধ হলেই সুখ।

08.10.19

খাওয়ার দিকেই ঝোঁক / সাইফ আলি

শোনো বাবা তুমি চাও যদি ছেলে টাকার কুমির হোক
গিলে তো খাবেই সবকিছু তার খাওয়ার দিকেই ঝোঁক,
‘অমকের ছেলে সোনার হরিণ দু’দিনেই কোটিপতি!’
তুমি বুঝলেনা কি পথ দেখালে, কতটুকু লাভ-ক্ষতি।

বিরাট মেধাবী ছেলেটা তোমার বন্ধু চেনেনা কোনো
সাতে পাঁচে নেই তোমার ছেলেই সন্ত্রাসী হবে শোনো,
সন্ত্রাসী মানে কুপাকুপি নয় টাকার পিছনে ছুটে
যারা খায় আজ দেশ ও জাতির সম্পদ লুটেপুটে।

লেখাপড়া জানা ছেলেটা তোমার ধর্ম মানেনা মোটে
বিরাট জ্ঞানী সে মুখে তার শুধু স্বার্থের খই ফোটে,
দেশটা ভালো না মানুুষ ভালো না ভালো বিদেশের মাটি
ছেলেটা তোমার সোনার হরিণ মেধাবী ভিষণ খাঁটি।

তোমার ছেলেটা দল করতো না কিন্তু এখন করে
নিজের স্বার্থে একরোখা বড়, রামদা চাপাতি ধরে;
মনে পড়ে তাকে তুমিই বলেছো প্রতিযোগী চারপাশে
কলমের জোরে দাঁড়াতে পারেনি, পেরেছে তো সন্ত্রাসে।

মানুষ হওয়া ছবক দিলেনা দিয়েছো এমন চোখ
যা দেখছে সব ‘আমার কেনো না?’ আমার বানাতে ঝোঁক।

08.10.19

শহীদের খুণ ঠেলে দেয় সম্মুখে / সাইফ আলি

যে কথা বলতে প্রাণ দিলো আবরার
সে কথা ফুটুক জনতার মুখে মুখে
খুণিরা জানুক মৃত্যু আনে না ভয়
শহীদের খুণ ঠেলে দেয় সম্মুখে।।

07.10.19

সময়ের ছড়া-০৯ / সাইফ আলি

গ্যাস দিছি পানি দিছি,
খালি হাতে আইছি?
পাই বা না পাই কিছু
পদক তো পাইছি।

এতো রাগ করিস ক্যা
দাদা কিছু দিলো না!
বাঙালিরা কোনোদিন
এরকম ছিলো না।

বাঙালিরা দিলখোলা
ঘর বেঁচে বর চায়,
ঠাকুরের চেহারাটা
দ্যাখ বিনা খরচায়।

06.10.19